চরচা ডেস্ক

টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার চার ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় নদী রক্ষা বাঁধ ভেঙে যায়।
বাঁধভাঙা পানি হু হু করে ঢুকে সদর উপজেলার লস্করপুর ও পইল ইউনিয়ন, বাহুবলের লামাতাসি এবং বানিয়াচং উপজেলার মকরমপুর ইউনিয়নের গ্রামগুলোকে প্লাবিত করেছে।
অনেক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গবাদিপশু, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
এদিকে, খোয়াই নদীর পানি বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর বাঁধ উপচে দ্রুত হাওর এলাকায় প্রবেশ করছে।
তাছাড়া, চুনারুঘাট উপজেলার নালমুখ বাজার এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানির স্তর বাড়তে থাকায় ভাঙন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাস পাড়ার অন্তত ১৫টি পরিবার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি স্থাপনাও ভাঙনের মুখে পড়েছে।
খোয়াই নদীর মাছুলিয়া পয়েন্টের শহর রক্ষা বাঁধটিও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। বাঁধটি রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে বাঁধটি শক্তিশালী করতে তারা বাঁশ ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবং অবহেলা করায় এই ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অনেক বাড়িতে কোমর পর্যন্ত পানি উঠে গেছে, যার ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে গেছেন।
হবিগঞ্জ শহরের কামড়াপুর ও রিচি এলাকাসহ কিছু অংশেও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাইনুল হক, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ-আল-মামুনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাথে পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।
এদিকে, হবিগঞ্জ-মিরপুর সড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে পানি উঠে গেছে। সড়কের অনেক অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, পানির স্তর আরও বাড়লে হবিগঞ্জ সদরের সাথে মিরপুর ও আশেপাশের এলাকার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন। পানি বাড়তে থাকায় পুরো এলাকায় আরও বড় বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার খোয়াই নদীর পানি চুনারুঘাটের বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯২ সেন্টিমিটার, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্টে ১১৩ সেন্টিমিটার এবং মাছুলিয়া পয়েন্টে ১৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কুশিয়ারা নদীর কিছু পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
সদর ইউএনও আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের প্রস্তুতি চলছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) খোলা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, জরুরি সহায়তার জন্য বর্তমানে ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাল এবং ১ হাজার ৮২০ প্যাকেট শুকনা খাবার মজুত রয়েছে।

টানা বৃষ্টি এবং উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার চার ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় নদী রক্ষা বাঁধ ভেঙে যায়।
বাঁধভাঙা পানি হু হু করে ঢুকে সদর উপজেলার লস্করপুর ও পইল ইউনিয়ন, বাহুবলের লামাতাসি এবং বানিয়াচং উপজেলার মকরমপুর ইউনিয়নের গ্রামগুলোকে প্লাবিত করেছে।
অনেক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গবাদিপশু, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
এদিকে, খোয়াই নদীর পানি বানিয়াচং উপজেলার রাধাপুর বাঁধ উপচে দ্রুত হাওর এলাকায় প্রবেশ করছে।
তাছাড়া, চুনারুঘাট উপজেলার নালমুখ বাজার এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। পানির স্তর বাড়তে থাকায় ভাঙন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে হরিজন সম্প্রদায়ের রবিদাস পাড়ার অন্তত ১৫টি পরিবার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি স্থাপনাও ভাঙনের মুখে পড়েছে।
খোয়াই নদীর মাছুলিয়া পয়েন্টের শহর রক্ষা বাঁধটিও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। বাঁধটি রক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে বাঁধটি শক্তিশালী করতে তারা বাঁশ ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবং অবহেলা করায় এই ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অনেক বাড়িতে কোমর পর্যন্ত পানি উঠে গেছে, যার ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলে গেছেন।
হবিগঞ্জ শহরের কামড়াপুর ও রিচি এলাকাসহ কিছু অংশেও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাইনুল হক, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ-আল-মামুনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাথে পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন।
এদিকে, হবিগঞ্জ-মিরপুর সড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে পানি উঠে গেছে। সড়কের অনেক অংশ তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, পানির স্তর আরও বাড়লে হবিগঞ্জ সদরের সাথে মিরপুর ও আশেপাশের এলাকার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন। পানি বাড়তে থাকায় পুরো এলাকায় আরও বড় বন্যার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার খোয়াই নদীর পানি চুনারুঘাটের বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৯২ সেন্টিমিটার, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্টে ১১৩ সেন্টিমিটার এবং মাছুলিয়া পয়েন্টে ১৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কুশিয়ারা নদীর কিছু পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
সদর ইউএনও আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের প্রস্তুতি চলছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) খোলা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, জরুরি সহায়তার জন্য বর্তমানে ৫ লাখ টাকা, ১০০ টন চাল এবং ১ হাজার ৮২০ প্যাকেট শুকনা খাবার মজুত রয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা আগামী ডিসেম্বরের দিকে ভারত থেকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন। তবে তিনি দেশে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ কিংবা কোন আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

রাজনীতি কেবল ক্ষমতা উপভোগের মাধ্যম নয়, বরং এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।