চরচা ডেস্ক

শেষ হতে যাওয়া অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক ‘আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে’ বলে জানিয়েছে মানবাধিকবার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসের চেয়ে চলত মাসে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাও বেড়েছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
এমএসএফ জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত হয়েছেন ২৯৪ জন ও নিহত দুই জন। অক্টোবর মাসে তা বেড়ে আহত ৫৪৭ জন ও নিহত ২ জন, অর্থাৎ আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
এমএসএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ মাসেও রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ও মামলার সংখ্যা কমে গেলেও দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের উপর হামলার ঘটনাসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের অর্ন্তদ্বন্দ্ব অব্যহত রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ৪৯টি ঘটনায় শিকার হয়েছেন ৫৪৯ জন। তাদের মধ্যে ২ জন নিহত এবং ৫৪৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন গুলিবিদ্ধ এবং নিহতরা বিএনপির কর্মী সমর্থক।
রাজনৈতিক সহিংসতার ৪৯ টি ঘটনায় হামলার শিকার হয়েছেন ৪৯৯ জন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত এবং ৪৯৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৪ জন গুলিবিদ্ধ। নিহতদের সকলেই বিএনপির নেতা ও কর্মী।
বেড়েছে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা
এমএসএফ জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে ৩৬৮টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। যা গত মাসের তুলনায় সাতটি বেশি। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৭২টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৪টি, ধর্ষণ ও হত্যা সাতটি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পাঁচজন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।
ধর্ষণের শিকার ৭২ জনের মধ্যে ১৬ জন শিশু, ২১ জন কিশোরী রয়েছে, অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দুইজন শিশু, তিনজন কিশোরী ও ৯ জন নারী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন দুইজন শিশু, দুইজন কিশোরী ও তিনজন নারী। ধর্ষণের চেষ্টা ২৯টি, যৌন হয়রানি ২৪টি, শারীরিক নির্যাতনের ৫৭টি ঘটনা ঘটেছে।

শেষ হতে যাওয়া অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক ‘আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে’ বলে জানিয়েছে মানবাধিকবার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসের চেয়ে চলত মাসে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতাও বেড়েছে বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
এমএসএফ জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় আহত হয়েছেন ২৯৪ জন ও নিহত দুই জন। অক্টোবর মাসে তা বেড়ে আহত ৫৪৭ জন ও নিহত ২ জন, অর্থাৎ আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
এমএসএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ মাসেও রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ও মামলার সংখ্যা কমে গেলেও দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের উপর হামলার ঘটনাসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের অর্ন্তদ্বন্দ্ব অব্যহত রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ৪৯টি ঘটনায় শিকার হয়েছেন ৫৪৯ জন। তাদের মধ্যে ২ জন নিহত এবং ৫৪৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন গুলিবিদ্ধ এবং নিহতরা বিএনপির কর্মী সমর্থক।
রাজনৈতিক সহিংসতার ৪৯ টি ঘটনায় হামলার শিকার হয়েছেন ৪৯৯ জন। তাদের মধ্যে চারজন নিহত এবং ৪৯৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১৪ জন গুলিবিদ্ধ। নিহতদের সকলেই বিএনপির নেতা ও কর্মী।
বেড়েছে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা
এমএসএফ জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে ৩৬৮টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। যা গত মাসের তুলনায় সাতটি বেশি। এ মাসে ধর্ষণের ঘটনা ৭২টি, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ১৪টি, ধর্ষণ ও হত্যা সাতটি। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পাঁচজন প্রতিবন্ধী কিশোরী ও নারী।
ধর্ষণের শিকার ৭২ জনের মধ্যে ১৬ জন শিশু, ২১ জন কিশোরী রয়েছে, অপরদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দুইজন শিশু, তিনজন কিশোরী ও ৯ জন নারী এবং ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছেন দুইজন শিশু, দুইজন কিশোরী ও তিনজন নারী। ধর্ষণের চেষ্টা ২৯টি, যৌন হয়রানি ২৪টি, শারীরিক নির্যাতনের ৫৭টি ঘটনা ঘটেছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।