সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলায় ফারজানা সুলতানা নামে ৯ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সুমাইয়া খাতুন (২৬) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। গতকাল সোমবার এ ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
শিক্ষার্থী ফারজানা সুলতানা কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুল ছুটির পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সুমাইয়ার বাড়ির আলমারির ড্রয়ারের ভেতর থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করে। সুমাইয়ার স্বামী ফারজানার বিদ্যালয়ের কাছে ঝালমুড়ি বিক্রি করত।
সুমাইয়ার বাড়ি থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন সুমাইয়াকে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও তিনি মারা যান।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, শিশুটির সোনার কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই সুমাইয়া এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, দুজনেরই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পাশাপাশি গণপিটুনিতে নিহতের ঘটনায়ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।