
সিসিইউতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আব্দুল মঈন খান
হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
চরচা ডেস্ক

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে সাজেক ভ্যালিতে আটকে পড়া ২ হাজার ৯৩৩ পর্যটককে আজ বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
তিন দফা দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ আহ্বানে সকাল ৬টা থেকে সাজেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়েছে।
অবরোধকারীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেয়। এতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে সাজেক ভ্যালির মধ্যে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আটকে পড়া পর্যটকদের নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ নিরাপত্তা দল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাজেক থেকে বাঘাইহাটের উদ্দেশে রওনা হয়।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বহরটি সাজেক ইউনিয়নের উজ্জবাজার এলাকায় পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা এর গতিরোধ করে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কয়েক ঘণ্টা ধরে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং পর্যটকদের যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে অবরোধকারীরা তাদের অবস্থানে অনড় থাকে।
একপর্যায়ে সেনাসদস্যরা ব্যারিকেড ভেঙে পর্যটকদের নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
এ সময় উজ্জবাজার এলাকায় অবস্থান নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রাঙামাটির জেলা প্রশাসন আজ বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
গতকাল বুধবার রাতে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক (ডিসি) নাজমা আশরাফীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অবরোধকারী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু গ্রুপ) সশস্ত্র সদস্যরা সাজেকের মাচালং, থলকুম্ভ, ছিল্যাতুলি কুটি, নোয়াপাড়া, লম্বাবাক ও ভূইয়াছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। তাদের কারণে শতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে সংগঠনগুলোর দাবি।
এলাকা থেকে সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনগুলো।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন সময়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনগুলো। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল।
নতুন করে অবরোধ শুরু হওয়ায় স্থানীয় লুসাই, ত্রিপুরা, চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। তাদের চলাচল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।
পরিবহনের সংকটে স্থানীয় কৃষকেরাও তাদের জুমের ফসল বাজারে নিতে সমস্যায় পড়ছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সংকট দ্রুত সমাধানে প্রশাসনও কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

সিসিইউতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আব্দুল মঈন খান
হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিদেশে কারাবন্দী বাংলাদেশিদের মুক্তি ও মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে: সিপিবি
বিদেশে কারাবন্দী বাংলাদেশিদের মুক্তি ও প্রতিটি মৃত্যুর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সিপিবির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে ওসি বারিক বলেন, বুধবার রাতে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা জহিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সড়কে ফেলে রেখে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ট্রাম্পের শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের ব্যয় বেড়েছে, মন্তব্য কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নির
কার্নি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সমঝোতাকে ওলটপালট করে দিয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবারগুলোর ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে অন্টারিওর শ্রমিকদের পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতায় অসুবিধার মুখে পড়েছে এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।”