চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটে (ডিডিএন) হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় মাইকেলসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ১৩ জুলাই পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের নির্দেশে তার সহযোগী মাইকেলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।
আজ রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার দুপুর থেকে আজ রোববার ভোর পর্যন্ত নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া নয়জন হলেন রোহেন মিয়া ওরফে মাইকেল (৩১), তুহিন (২২), আকবর হোসেন (৩৮), আবদুল মোমিন (৩০), মাসুদ মিয়া (২৭), দিদার মিয়া (২২), সানজাত হাসান (১৮), সৈরত হোসেন (১৮) ও সাইফুদ্দিন (৩২)।
এর আগে গত ১৫ জুলাই চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছিল। পরে পুলিশ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এ নিয়ে ডিডিএন কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মোট ২১ জন গ্রেপ্তার হলেন।
লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া মাইকেল এ হামলার নেতৃত্ব দেওয়া তিনজনের একজন। মূলত ডেভিড ইমনের নির্দেশে মাইকেল, সানি ও রাজু বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন জড়ো করে হামলা করে।মূলত চাঁদা না দেওয়ায় ডেভিড ইমনের নির্দেশে নেতৃত্বদানকারী তিনজন নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, বহদ্দারহাট, রাউজানসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কিছু লোকজন এনে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করে।”
হাফিজুর রহমান বলেন, “নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় তারা বাসযোগে জড়ো হয় এবং বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে অটোরিকশায় বাকলিয়া এক্সেস রোডে আসে। সেখানে একটি দলকে তারা এক্সেস রোডে রাখে যাতে র্যাব-পুলিশ এলে খবর দিতে পারে। আরেকটি গ্রুপ ওই ভবনের নিচে ও আশপাশে সাধারণ মানুষের বেশে অবস্থান নেয়। ২০ জনের একটি দল ভবনের ভেতর প্রবেশ করে হামলা ও ভাংচুর করে।”
র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র পাওয়া গেছে। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে পাঁচজনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়। বাকি চারজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে ধরা হয়। আর গ্রেপ্তারকৃত অপরজন মাইকেল এ হামলার পরিকল্পনাকারী তিনজনের একজন। গ্রেপ্তারকৃতদের চকবাজার থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ১১ জুলাই ডিডিএনের স্বত্বাধিকারী আদিল বিন মামুনের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ডেভিড-ইমন পরিচয়ধারী এক ব্যক্তি এককালীন দুই কোটি টাকা এবং মাসিক ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১৩ জুলাই দুপুরে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে চকবাজারে ডিডিএনের কার্যালয়ে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা অফিসে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, কম্পিউটার, সার্ভার মনিটর, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করে। এ সময় কর্মচারীদের বেতন বাবদ রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে তারা পালিয়ে যায় বলে দাবি করেছে র্যাব। এ ঘটনায় ডিডিএনের ম্যানেজার বাদী হয়ে চকবাজার থানায় অজ্ঞাত ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেটে (ডিডিএন) হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় মাইকেলসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে গত ১৩ জুলাই পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের নির্দেশে তার সহযোগী মাইকেলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।
আজ রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার দুপুর থেকে আজ রোববার ভোর পর্যন্ত নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া নয়জন হলেন রোহেন মিয়া ওরফে মাইকেল (৩১), তুহিন (২২), আকবর হোসেন (৩৮), আবদুল মোমিন (৩০), মাসুদ মিয়া (২৭), দিদার মিয়া (২২), সানজাত হাসান (১৮), সৈরত হোসেন (১৮) ও সাইফুদ্দিন (৩২)।
এর আগে গত ১৫ জুলাই চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছিল। পরে পুলিশ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এ নিয়ে ডিডিএন কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মোট ২১ জন গ্রেপ্তার হলেন।
লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া মাইকেল এ হামলার নেতৃত্ব দেওয়া তিনজনের একজন। মূলত ডেভিড ইমনের নির্দেশে মাইকেল, সানি ও রাজু বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন জড়ো করে হামলা করে।মূলত চাঁদা না দেওয়ায় ডেভিড ইমনের নির্দেশে নেতৃত্বদানকারী তিনজন নগরীর চকবাজার, বাকলিয়া, বহদ্দারহাট, রাউজানসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কিছু লোকজন এনে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করে।”
হাফিজুর রহমান বলেন, “নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় তারা বাসযোগে জড়ো হয় এবং বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে অটোরিকশায় বাকলিয়া এক্সেস রোডে আসে। সেখানে একটি দলকে তারা এক্সেস রোডে রাখে যাতে র্যাব-পুলিশ এলে খবর দিতে পারে। আরেকটি গ্রুপ ওই ভবনের নিচে ও আশপাশে সাধারণ মানুষের বেশে অবস্থান নেয়। ২০ জনের একটি দল ভবনের ভেতর প্রবেশ করে হামলা ও ভাংচুর করে।”
র্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র পাওয়া গেছে। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে পাঁচজনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়। বাকি চারজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে ধরা হয়। আর গ্রেপ্তারকৃত অপরজন মাইকেল এ হামলার পরিকল্পনাকারী তিনজনের একজন। গ্রেপ্তারকৃতদের চকবাজার থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গত ১১ জুলাই ডিডিএনের স্বত্বাধিকারী আদিল বিন মামুনের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ডেভিড-ইমন পরিচয়ধারী এক ব্যক্তি এককালীন দুই কোটি টাকা এবং মাসিক ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১৩ জুলাই দুপুরে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল পূর্বপরিকল্পিতভাবে চকবাজারে ডিডিএনের কার্যালয়ে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা অফিসে প্রবেশ করে আসবাবপত্র, কম্পিউটার, সার্ভার মনিটর, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করে। এ সময় কর্মচারীদের বেতন বাবদ রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করে তারা পালিয়ে যায় বলে দাবি করেছে র্যাব। এ ঘটনায় ডিডিএনের ম্যানেজার বাদী হয়ে চকবাজার থানায় অজ্ঞাত ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।