গরমে ছোট–বড় সকলেরই অবস্থা নাজেহাল হয়ে পড়ে। গরমে বাড়ে বিভিন্ন রোগও। এসব রোগের মধ্যে ফুড পয়জনিং অন্যতম। হুট করেই হয় এমন সমস্যা।
চিকিৎসকেরা বলছেন, খাবারের জীবাণু থেকে নিঃসৃত টক্সিন যখন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তখন শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। ফুড পয়জনিংয়ের মূল কারণ খাবারের জীবাণু।
চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, সালমোনেলার ও সিগেলার মতো ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় ফুড পয়জনিং। গরমে এ জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই গরমে খাবার খাওয়ার সময় সচেতন থাকা জরুরি।
ফুড পয়জনিং এড়াতে
১. বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যাবে না।
২. বাইরের পানি ও শরবতজাতীয় পানীয় পান করা যাবে না।
৩. খাবার তৈরির আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।
৪. শাকসবজি, ফলমূল ও মাছ রান্না করার আগে ধুতে হবে ভালো করে।
৫. রান্না করা খাবার রেখে দিতে চাইলে, রান্না করার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে।
৬. রেফ্রিজারেটরে খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি খাওয়ার আগে ভালো করে গরম করে নিতে হবে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, ফুড পয়জনিং হলে রোগীকে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি অন্যান্য তরলজাতীয় খাবার খেতে দিতে হবে। এই সময় মাংস কিংবা ভাজাপোড়া খাবার কম দিয়ে সহজপাচ্য খাবার খেতে দিতে হবে। তবে ফুড পয়জনিংয়ের কারণে বমিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।