Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
১৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

এবারই কি সবচেয়ে বড় জয় পেল বিএনপি

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬: ০৯
এবারই কি সবচেয়ে বড় জয় পেল বিএনপি

১৯৭৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন নিজের রাজনৈতিক দল বিএনপি। প্রতিষ্ঠার কয়েক মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ২০৭ আসনে জয় পেয়েছিল দলটি। ৭৯’র নির্বাচনের ৪৬ বছর পর দলটি তার প্রতিষ্ঠাকালীন সাফল্যকে ছাড়িয়ে গেল। ১৯৯৬ সালের একতরফা ও বিরোধীদলবিহীন ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৭৮ আসন পেলেও নির্বাচনটি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সে হিসেবে এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনই এখন বিএনপির সেরা নির্বাচনী সাফল্য।

Advertisement

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়া চট্টগ্রামে নিহত হন। এরপর দলের হাল ধরেছিলেন তার সহধর্মিনী খালেদা জিয়া। তিনি এর পরের এক দশক বিএনপিকে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেন। ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ১৪০ আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও সরকার গড়ার মতো আসন তারা লাভ করতে পারেনি। পরে নিজেদের ১৮ আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী বিএনপিকে সমর্থন দিলে তারা সরকার গঠন করে। এর আগে ১৯৮৬ সালে প্রথমে এরশাদের সামরিক শাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বিএনপি ছিল না ১৯৮৮ সালের চতুর্থ সংসদ নির্বাচনেও।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ। বিরোধী দলের বর্জনের মুখে অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে বিএনপি ছিল একেবারেই প্রতিদ্বন্দ্বিহীন। ২৭৮ আসন তাই দলটির জন্য গর্বের কোনো বিষয় নয় কখনোই। একপেশে সেই নির্বাচনে গঠিত সংসদ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ১৩ দিন। বিএনপি সব সময়ই বলে এসেছে শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যেই বাধ্য হয়ে তাদের সেই একতরফা নির্বাচনটি করতে হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সেই নির্বাচনের ঠিক চার মাস পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি হেরেছিল। তারপরেও বিএনপি জিতেছিল ১১৬টি আসন। এখনো পর্যন্ত জাতীয় সংসদে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল তারাই। সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবেও বিএনপির চেয়ে আর কোনো দলই বেশি আসন জিততে পারেনি।

জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি

২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি আবারও ক্ষমতায় ফেরে। তবে সেবার তারা একা ছিল না। চারদলীয় জোটের মোড়কে বিএনপির বড় সঙ্গী ছিল জামায়াত। ছিল নাজিউর রহমান মঞ্জুর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও ইসলামী ঐক্যজোট। ২০০১ নির্বাচনে একক দল হিসেবে বিএনপি ১৯৩ আসন পেয়েছিল। জামায়াত, বিজেপি ও ইসলামী ঐক্যজোটের আসন মিলে সেবার সংসদে দুই–তৃতীয়াংশ আসন পেয়েছিল চারদলীয় জোট। ২০০৮ সালে সেই চারদলীয় জোটেরই ভরাডুবি হয়েছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। বিএনপি এককভাবে পেয়েছিল মাত্র ৩০ আসন। জামায়াত পেয়েছিল ২টি, বিজেপি ১টি।

নবম সংসদ নির্বাচনে ২৩০টির বেশি আসনে জিতেছিল আওয়ামী লীগ। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তারা ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে পরপর তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ ও কারচুপির নির্বাচন আয়োজন করে ১৫ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকে দলটি। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে ২০১৪ সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত দুটি সংসদের বাইরে থাকার পর ২০১৪ সালের পরই সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। ২০১৮ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও বিতর্কিত সেই নির্বাচনে দলটির ভাগ্যে জোটে মাত্র ৬টি আসন। সংসদে সেটিই ছিল বিএনপির সর্বনিম্ন সংখ্যায় প্রতিনিধিত্ব। ২০২৪ সালে বিএনপি আবারও নির্বাচন বর্জন করে। বিএনপিবিহীন সেই সংসদ অবশ্য ৭ মাসের বেশি টিকতে পারেনি। জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।

জুলাই–অভ্যুত্থানের ১৮ মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এসে বিএনপি পেল ভূমিধস এক বিজয়। প্রতিষ্ঠার ৪৭ বছরের মাথায় এসে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাতে গড়া বিএনপি তাদের ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তৈরি করল নতুন এক ইতিহাস।

বিষয়: বিএনপিনির্বাচনভোটরাজনীতিসংসদ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ঢাকা উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি: পুরনো নেতৃত্ব, নাকি নতুন মুখ?

  • ২

    নির্ভয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • ৩

    উড়ন্ত গাড়ি উন্মোচন করল টেসলা

  • ৪

    মোদির দমন-পীড়ন: চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতের গণতন্ত্র

  • ৫

    নিশ্চিন্তে উৎসব করুন: হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কী বার্তা দিচ্ছে?

    বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কী বার্তা দিচ্ছে?

    হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের পাসপোর্ট সূচকের এই ওঠানামা থেকে বোঝা যায়- আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুযোগের ক্ষেত্রে দেশের অবস্থান এখনও বেশ সীমিত।

  • ‘মোস্তাফিজ ২.০’ হয়ে ফিরবেন নাহিদ রানা?

    ‘মোস্তাফিজ ২.০’ হয়ে ফিরবেন নাহিদ রানা?

    ‘মোস্তাফিজুর ২.০’ হয়ে ফিরবেন নাহিদ রানা? আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবিতে ড্র হওয়া টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ ঘণ্টায় একজনকে খুব মিস করেছে বাংলাদেশ দল। তিনি নাহিদ রানা। কেননা, চলতি বছরই পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে পঞ্চম দিনে একটা স্পেলে তার গতিময় বোলিংয়ের সামনে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা উ

  • ইরান-হুতিদের কারণে কতটা ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ডেটা সেন্টারগুলো

    ইরান-হুতিদের কারণে কতটা ঝুঁকিতে উপসাগরীয় ডেটা সেন্টারগুলো

    উপসাগরীয় দেশগুলো এতদিন নিজেদের আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেও প্রযুক্তির জন্য শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে তুলে ধরেছিল। কিন্তু চলমান যুদ্ধ তাদেরকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। ইরান এখন প্রযুক্তির এই নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তাকেই একটি ভূ-রাজনৈতিক দরকষাকষির হাতিয়ার বানাতে চাইছে।

  • হুতি কারা, কী চায় তারা?

    হুতি কারা, কী চায় তারা?

    হুতিরা উত্তর ইয়েমেনের একটি সশস্ত্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী। তারা দেশটির সংখ্যালঘু জায়দি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করে। জায়দিবাদ শিয়া ইসলামের একটি শাখা।