
কক্সবাজারে এক পথসভায় বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, কর বাড়ানো হয়েছে শুধু মদ ও সিগারেটের মতো স্বাস্থ্যহানিকর পণ্যে। অথচ বিরোধী দল দেশের মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে, এই ক্ষতিকারক পণ্যের দাম বাড়ানো নিয়েও সমালোচনা করছে।

বাংলাদেশে ৩৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন এবং তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তামাক ব্যবহারজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সব স্তরের সিগারেটে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সরকার।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, ভোরের দিকে পাইকপাড়া এলাকায় গ্যাস লিকেজের কাছে সিগারেট খাওয়ার সময় হঠাৎ আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনজনই দগ্ধ হন।

নতুন এই আইন অনুযায়ী, এখন থেকে সিগারেটের প্যাকেটের উপরিভাগের অন্তত ৭৫ শতাংশ জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী থাকতে হবে। পাশাপাশি প্যাকেটে তামাক ছাড়ার জন্য জাতীয় সহায়তা কেন্দ্রের (কুইট লাইন) নম্বর অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আবুল হোসেনের স্ত্রী জেসমিন জানান, মাইক্রোবাসটি বেরিবাঁধ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় গ্যাস লিক হচ্ছিল, তবে বিষয়টি তারা বুঝতে পারেননি। এ সময় গাড়ির ভেতরে সিগারেট ধরানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল ২০২৬’-এ ই-সিগারেট, ভ্যাপ এবং নিকোটিন পাউচের মতো ক্ষতিকর পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাতিল করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাক বিরোধী ও জনস্বাস্থ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো।

ডাকসুর কনসার্টের খবরে কেন গান নয়, ইউরেনিয়াম ও সিগারেট শিরোনাম হলো? স্লোগান উঠেছে ইউরেনিয়াম ইউরেনিয়াম–কেন? ডাকসুর কনসার্টে শিক্ষার্থীরা কেন জুলাই আন্দোলনের স্লোগানগুলো বিকৃত করেছে? শোনা গেছে গোলামির পক্ষের স্লোগান!

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ
পাবলিক প্লেসের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত সব ভবনের বারান্দা, প্রবেশ ও বহির্গমন গেট এবং ভবন সংশ্লিষ্ট এলাকা আচ্ছাদিত বা উন্মুক্ত যাই হোক না কেন, ভবনের সামনে ও পেছনের মাঠ, উন্মুক্ত স্থান বা বাগানও এর অন্তর্ভুক্ত হবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক, ২০২৫’–এ বাংলাদেশের স্কোর ৬৯, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি খারাপ। এ তালিকার ভারতের স্কোর ৫৯, পাকিস্তানের স্কোর ৫৪, শ্রীলঙ্কার স্কোর ৪৫।