
পুলিশ জানায়, ঠিক কখন এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ অজানা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, “মৃতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মৃতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মামলা সূত্রে জানা যায়, সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

এসআই আরও জানান, এই ঘটনায় মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত রিক্তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার শাহিনের মেয়ে। ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে দ্রুত নিকটবর্তী কোনো হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। বরং বিলম্বের পর বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রভাব খাটিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই একটি ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয় এবং দ্রুত দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে

দুই ঘটনারই ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ঘটনাগুলোর বিষয়ে তদন্ত করছে।

শিশুর পরিবারের অভিযোগ, আব্দুল্লাহকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে বাসার মালিক আঞ্জুমান আরা ডলি জানান, প্রায় ছয় মাস আগে মো. মামুন নামের এক ব্যক্তি স্ত্রী পরিচয়ে কাবিননামা দেখিয়ে বাসাটি ভাড়া নেন। তিনি মূলত গ্রামের বাড়িতে থাকেন এবং দুই মাস পরপর এসে ভাড়া নিয়ে যান। এ ঘটনার বিষয়ে এর বেশি কিছু জানেন না তিনি।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা সানজিদা কবির আনিকার সঙ্গে ঝালকাঠির কাটপট্টির বাসিন্দা হিমুর প্রেম ছিল। আনিকা মাঝে মাঝে হিমুর বরিশালের ওই বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। ওই ফ্ল্যাটটিতে হিমুর মা-ও থাকতেন।

পরিদর্শক সাইফুদ্দিন আরও বলেন বলেন, “মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। কক্ষের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া গেছে। ধারণা করছি, অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।”

হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসার একটি কক্ষ থেকে তানজিলাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত সাড়ে সাতটার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

একটি জলাশয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো এবং দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল।

একটি জলাশয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো এবং দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল।