
আঞ্চলিক ভাষাও তো মাতৃভাষা। কিন্তু আমরা দেখি আঞ্চলিক ভাষাকে অবজ্ঞার চোখে দেখা হয়, সেই ভাষা নিয়ে করা হয় উপহাস। কিন্তু তরুণদের সবাই কি আঞ্চলিক ভাষাকে ‘আনস্মার্ট’ মনে করে?

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা সারিবদ্ধভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন।

মাতৃভাষার অধিকারের জন্য যারা প্রাণ দিলেন, সেই ত্যাগের মহিমা কি তবে কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বার্থ রক্ষার পর থমকে গেল? আমরা কি তবে অন্যদের কথা ভুলে গেলাম? বিস্মৃতি বোধহয় আমাদের মজ্জাগত।

গাফ্ফার চৌধুরীর সাংবাদিকতার শুরু গত শতকের পঞ্চাশের দশকে, যখন তিনি কলেজের গণ্ডিও পার হননি। এরপরও লেখালেখি, সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক আন্দোলন চলেছে সমান্তরালে। ষাটের দশকে তিনি ছয় দফা তথা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ঘোরতর সমর্থক ছিলেন। তার সান্ধ্য দৈনিক আওয়াজ-এ প্রথম ছয় দফার পূর্ণ বিবরণ ছাপা হয়।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদি এবং আশপাশের সড়কগুলোতে আঁকা হচ্ছে আলপনা। তুলির আঁচড়ে যেন ফুটে উঠছে ভাষা শহীদদের আত্মদানের গল্প।

উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশে অবস্থান করছেন ব্রিটিশ নাগরিক জ্যাক। তিনি বাংলা ভাষা শিখেছেন। তিনি জানালেন, বাংলা কঠিন হলেও সুন্দর ভাষা।