
ফুটবল নিয়ে মারামারির ইতিহাস

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

হুমায়ূন আহমেদের ‘ফুটবল ও আমরা’ শিরোনামের লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায়। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের সময় অতিথি কলাম হিসেবে। ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত ‘সকল কাঁটা ধন্য করে’ বইয়ে লেখাটি অন্তর্ভুক্ত হয়। বিশ্বকাপ ও ফুটবল নিয়ে বাঙালির উন্মাদনাকে লেখক স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন কিংবদন্তি এই কথা সাহিত্যিক…১

আর্জেন্টিনা–মিশরের শেষ আটের ম্যাচে রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফ্রাঁসোয়া ল্যতেক্সেইকে আর দেখা যাবে না বিশ্বকাপে। অনেকেই দাবি করছেন, তাকে শাস্তি দিয়েছে ফিফা। আসলেই কি ব্যাপারটা এমন? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ?

গতি আর টাকার চেয়েও বড় এমবাপ্পের মন। ২০১৮ বিশ্বকাপ জয়ের বোনাস বাবদ পাওয়া ৪ লাখ ডলারের পুরো টাকাটাই তিনি প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে দান করে দিয়েছিলেন।

দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেল নরওয়ে ফুটবল দল। সোমবার সন্ধ্যায় অসলোর রাজপ্রাসাদের সামনে প্রায় এক লাখ ফুটবলপ্রেমী জড়ো হয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া প্রিয় তারকাদের ভালোবাসা ও অভিবাদন জানান।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা খুব করেই চাইবে তাদের গাঢ় নীল রঙের অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলতে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে এই গাঢ় নীল রঙের অ্যাওয়ে জার্সি খুবই পয়া। ওই জার্সিতেই যে মিশে আছে গৌরবের গল্প।

আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন আর ইংল্যান্ড উঠেছে সেমিফাইনালে। এই দলগুলোর কেউই গোল্ডেন বল জেতার কথা। মেসি, এমবাপ্পে, বেলিংহাম, ইয়ামাল, কেইন, ইয়ামাল – কে পাবেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের সেই পুরস্কার?

ঠিক ৯৬ বছর আগের এক ১৩ জুলাই শুরু হয়েছিল বিশ্ব ফুটবলের মহাযজ্ঞ—বিশ্বকাপ ফুটবল। অলিম্পিক থেকে ফুটবলকে বাদ দেওয়ার ক্ষোভ থেকে যার পথচলা, সেটিই এখন শতবর্ষের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। বিশ্বকাপের ২৩তম আসর চলছে। সারা দুনিয়া বুঁদ ফুটবল–আনন্দে।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা–সুইজারল্যান্ড ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলো কেন লালকার্ড দেখলেন? ঘটনাটা কী!

মাঠে আর্লিং হালান্ড এত বিনয়ী কেন? আধুনিক ক্যাপিটালিজম এবং পশ্চিমা ফুটবল সংস্কৃতি যেখানে “ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং” এবং অহংকারকে প্রমোট করে, সেখানে হালান্ড চলেন উল্টো স্রোতে। কেন?

স্পেন–ভক্তদের একটা সুসংবাদ দিতে পারি। এবারের আগে স্পেন সেমিফাইনালে খেলেছিল ২০১০ সালে। সেবার তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তার মানে সেমিফাইনালে উঠলেই স্পেন বিশ্বকাপ জেতে। ব্যাপারটা তো এমনই।

এই ব্যাগটির মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা! তবে টাকা থাকলেই এই ব্যাগ কেনা সম্ভব নয়। কিনতে হলে বড় বড় লাক্সারি অকশন বা নিলামে অংশ নিতে হবে! হালান্ড নিলাম থেকেই এই ব্যাগটি কিনে তার প্রেমিকাকে উপহার দিয়েছেন।

ফ্রান্স ও মরক্কোর প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে আলোচনার কেন্দ্রে আর্জেন্টিনা। এ ম্যাচে আর্জেন্টিনা আছে খুব ভালো ভাবেই। আর্জেন্টিনাকে নিয়ে এই বিতর্কের কারণ কি?

আর্জেন্টিনা দলের ডাগআউটে কোচ লিওনেল স্কালোনির আশপাশের মানুষগুলোকে লক্ষ্য করেছেন কখনো? তাদের চেনেন? আজ আর্জেন্টিনা দলের সাফল্যের পেছনে এদের তৈরি রণকৌশলের আছে বড় ভূমিকা। অথচ, পর্দার আড়ালে থেকে নীরবেই কাজ করে যান তারা।

মিশরের কোচ হোসাম হাসানকে ডাগআউটের কাছে গিয়ে কী বলেছিলেন লিওনেল মেসি? ওই ঘটনার পরপরই মিশর কোচ দুই হাত দুদিকে নিয়ে ইংরেজি অক্ষর ‘এক্স’-এর ইঙ্গিত করেন হাসান। খেলায় এই ইঙ্গিত বর্ণবিদ্বেষ বিরোধিতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।