
এই উদ্যোগটি মূলত মূল প্রতিষ্ঠান ‘বেকো’র দীর্ঘমেয়াদী টেকসই রূপকল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা টেকসই উৎপাদন, পরিচালন দক্ষতা এবং পরিবেশ সচেতন শিল্প উন্নয়নের প্রতি সিঙ্গার বাংলাদেশের একনিষ্ঠতারই প্রতিফলন।

পাটখড়ি, কাঠি, প্লাস্টিকের বিভিন্ন অংশ, সিমেন্ট, বালি, মাটি, গাছের ডাল, কাগজ ও কাচের বোতল দিয়ে তৈরি এসব উপহার সামগ্রী যেন একেকটি শিল্পকর্ম। শিল্পী মালিহা প্রধানত ‘ডায়ারামা’ তৈরি করেন। মানে একটি দৃশ্যের খুদে রেপ্লিকা।

পুরান ঢাকার লালবাগে বর্জ্যের ভাগাড় থেকে প্লাস্টিক ও ধাতুর জিনিসপত্র বের করে বিক্রি করেন মোকসেদ। ছোটবেলা থেকে তিনি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত।

পরিত্যক্ত পলিথিন ও প্লাস্টিক বোতল রিসাইকেলের মাধ্যমে নিজের ও অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে রাজশাহীর ‘সবুজ সাথী ইন্ডাস্ট্রিজ’। দুর্গাপুর পৌরসভায় পার চৌপুকুরিয়া গ্রামে এই কারখানা গড়ে তুলেছেন তরুণ উদ্যোক্তা সবুজ আলী।