
‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক, ২০২৫’–এ বাংলাদেশের স্কোর ৬৯, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি খারাপ। এ তালিকার ভারতের স্কোর ৫৯, পাকিস্তানের স্কোর ৫৪, শ্রীলঙ্কার স্কোর ৪৫।

পরিবেশ উপদেষ্টার নির্দেশনা দেওয়ার পর দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও দরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে ঢাকা মহানগরীর বাতাস যে ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় ছিল, সেই অবস্থাতেই আছে।

বরিশাল শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শেরেবাংলা নগরে আবর্জনার স্তূপ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন এই ভাগাড়ে যুক্ত হয় প্রায় ২০০ টন আবর্জনা। আবর্জনার স্তূপের কারণে সৃষ্ট নানা সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমাদের মনে রাখতে হবে–নিরাপত্তা অর্জনের নামে পৃথিবীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া চলে না। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা আজ মানবজাতির যৌথ নিরাপত্তার প্রশ্ন, অস্তিত্বের প্রশ্ন। সামরিক নির্গমন আড়ালে রেখে সেই লড়াই সফল হবে না–কোনওভাবেই না।