
বাংলাদেশে ৩৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন এবং তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তামাক ব্যবহারজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতি বছরে ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

নতুন এই আইন অনুযায়ী, এখন থেকে সিগারেটের প্যাকেটের উপরিভাগের অন্তত ৭৫ শতাংশ জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী থাকতে হবে। পাশাপাশি প্যাকেটে তামাক ছাড়ার জন্য জাতীয় সহায়তা কেন্দ্রের (কুইট লাইন) নম্বর অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল ২০২৬’-এ ই-সিগারেট, ভ্যাপ এবং নিকোটিন পাউচের মতো ক্ষতিকর পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাতিল করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তামাক বিরোধী ও জনস্বাস্থ্য রক্ষাকারী সংগঠনগুলো।

দেশে তামাকের ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি ও আর্থিক ক্ষতি মোকাবিলায় ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ আসন্ন সংসদ অধিবেশনেই আইন হিসেবে পাস করা হবে...

‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক, ২০২৫’–এ বাংলাদেশের স্কোর ৬৯, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি খারাপ। এ তালিকার ভারতের স্কোর ৫৯, পাকিস্তানের স্কোর ৫৪, শ্রীলঙ্কার স্কোর ৪৫।