
একটি সুসংগঠিত চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের লক্ষ্য করে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত। তারা টেলিগ্রামে গোপন (প্রাইভেট) চ্যানেল খুলে এসব ছবি ও ভিডিও বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহ করত।

সিটিটিসি জানায়, আহসান ও তার পলাতক সহযোগীরা নব্য জেএমবির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে সেখানে একত্রিত হয়েছিল।

গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।