
টানা পাঁচ দিনের বর্ষণে পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাঙ্গামাটিসহ উপজেলাগুলোর সড়কের বিভিন্ন অংশ ভাঙনসহ অনেক সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে।

চট্টগ্রামে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কিছু সময় থেমে থেমে ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছূটি ঘোষণা করা হয়। তবে অফিসগামী মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

উখিয়া থানার ওসি জানান, বুধবার রাত দেড়টার দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি/৬ ব্লকে এহতেশামুল ও তার স্ত্রী সুফিয়ার মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে এহতেশামুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে আঘাত করেন।

দুই ভাইয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি পর ছোট ভাই ঘর থেকে একটি ছুরি এনে বড় ভাই আল আমিনের বুকে আঘাত করে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

বাগবিতণ্ডা শুরু হলে কয়েকজন আর্জেন্টিনা সমর্থক শরিফুলের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এফএফডব্লিউসি জানায়, চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সিলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম ও যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় থানচির দুর্গম এলাকার তিনটি পর্যটনকেন্দ্রে এখনো শতাধিক পর্যটক আটকা রয়েছেন।

সোমবার দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৪৮ ঘণ্টার এক বুলেটিনে বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে ভারী (২৪ ঘণ্টায় ৪৪–৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টিপাত হতে পারে।