
বাংলাদেশে কিছু উদ্যোক্তা ও ব্র্যান্ড তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে অ্যাপেক্স, বে, লেদারেক্স, ফর্চুনা, জেনিস বা আড়ংয়ের চামড়াজাত পণ্য বিভাগ উল্লেখযোগ্য। কিন্তু ভিয়েতনাম, তুরস্ক বা ইতালির মতো হাজার হাজার মাঝারি ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তার একটি শক্তিশালী শিল্পভিত্তি গড়ে ওঠেনি।

প্রতি বছর কোরবানি ঈদের সময় চামড়া নিয়ে হতাশা একটি নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। অথচ চামড়ার বৈশ্বিক বাজার ৫০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। বাংলাদেশে প্রচুর কাঁচা চামড়া উৎপাদন হলেও বৈশ্বিক এ বাজারে কোনো জায়গাই নিতে পারছে না দেশ। বিলিয়ন ডলারের এই চামড়ার বাজার কি তবে বাংলাদেশ ছেড়েই দিল?

একাধিক আড়তদার জানিয়েছেন, ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে আগের বকেয়া না পাওয়ায় তারাও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। এই শৃঙ্খলের সবচেয়ে দুর্বল প্রান্তে থাকা মৌসুমি ব্যবসায়ী ও এতিমখানা-মাদ্রাসাগুলোই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মাশুল দিচ্ছে।

একসময় কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা শহর, হাট-বাজার ও মহল্লায় কাঁচা চামড়ার নগদ বেচাকেনা শেষ হয়ে যেত। মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা কিংবা মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানতেন—চামড়া হাতে মানেই নগদ টাকা। দাম নিয়ে কিছু দর-কষাকষি থাকলেও বাজারে ক্রেতা থাকত, নগদ অর্থ থাকত, এবং দ্রুত চামড়া সংগ্রহ করে আড়

সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে অত্যন্ত কম দামে। কোথাও কোথাও ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চামড়া ফেলে দেওয়া বা মাটিতে পুঁতে রাখার ঘটনাও ঘটেছে।
মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। এই চুক্তি হলে দেশীয় খামারে কী প্রভাব পড়বে? চামড়া শিল্পের অবস্থা কী হবে। চরচা বিশেষে কাজী সাজিদুল হকের সঞ্চালনায় এ নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে ফজলে রাব্বি।

ত্রিশ বছর আগে। ১৯৯৬ সালের ১৭ এপ্রিল। নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ‘ফর মেক্সিকো’র স্মল ফারমারস, এনএএফটিএ’স প্রমিজ হু অ্যা ড্রাইড-আপ ফিল্ড’ শিরোনামে প্রকাশিত ফিচারে উঠে আসে মেক্সিকোর পোপোৎলা গ্রামের হোসে লুইসের দুর্দশার গল্প।

উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বাড়ে, বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান হয়, কর্মসংস্থান হলে বেকার কমে, বেকার কমলে দারিদ্র্য হ্রাস পায়।

লেদার ইন্ডাস্ট্রির প্রতিযোগিতামূলক বাজারে উদ্ভাবনী চিন্তা ও গুণগত মান দিয়ে নিজেদের আলাদা করার চেষ্টা করছে রাজধানীর মিরপুরের ‘র করপরেশন’। ভিডিও: মাহিন আরাফাত

ফেলে দেওয়া চামড়ার টুকরা দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তৈরি হয় শিশু-কিশোরদের জুতা। ঈদ উপলক্ষে সেই জুতা ঢাকায় বিক্রি করতে এসেছেন মো. কাদির। পুরানা পল্টন এলাকা থেকে ভিডিও করেছেন তারিক সজীব