
চলতি বছরের মে মাসে একটি সংঘর্ষে এক কম্বোডীয় সেনার মৃত্যু হলে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার দীর্ঘদিনের বিরোধটি নতুন করে শুরু হয়। এরপর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই প্রতিবেশী দেশ দুটি এ বছর বেশ কয়েকবার সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে, যার ফলে সীমান্তের উভয় পাশের লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

কম্বোডিয়া এবং থাইল্যান্ড সীমান্তের উভয় পাশের বাসিন্দারা নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর গণহারে এলাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই দুই দেশের নতুন করে শুরু হওয়া সশস্ত্র সংঘর্ষ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সোমবার সীমান্তে বিমান হামলা চালায় থাই প্রশাসন–এমন অভিযোগ কম্বোডিয়ার। যার ফলে চার বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং নয় কম্বোডিয়ান আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কম্বডিয়া সরকার। অপরদিকে থাইল্যান্ড দাবি করেছে, এক থাই সেনা নিহত হয়েছেন।

নতুন করে অস্থিরতার সঠিক কারণ স্পষ্ট নয়। তবে গত নভেম্বর মাস থেকে উত্তেজনা বাড়ছিল। উত্তেজনা বৃদ্ধির মূল কারণ স্থলমাইনে এক থাই সৈন্য আহত হয়েছিল।

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে ফের সংঘাত শুরু হয়েছে। আজ সোমবার কম্বোডিয়া সীমান্তে বিমান হামলা চালিয়েছে থাই সামরিক বাহিনী। সীমান্তজুড়ে গুলিবিনিময় ও বিস্ফোরণের ঘটনা বাড়তে থাকায় উভয় দেশই অপর পক্ষকে আক্রমণ শুরুর অভিযোগ করেছে।

কম্বোডিয়া চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও, থাইল্যান্ড এটিকে সরাসরি শান্তি চুক্তি হিসেবে স্বীকার করছে না। চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত সংঘর্ষের পরে স্থায়ী শান্তি স্থাপন করা।