
২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট সেন্টমার্টিন নিবাসী মো. আমিন সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলে তাকে আটক করে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি। তিনি জানান, বিনা অপরাধে তাকে মিয়ানমারে আটক রেখে নির্যাতন করা হয়। ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান।

অভিযান শুরুর পর থেকে গোষ্ঠীটি কেবল সামরিক সাফল্যই পায়নি, বরং তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে আদালত, স্কুল এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রসহ নিজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে।

মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যের নিকটবর্তী নাফ নদী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচলের ওপর অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এছাড়া তারা মিয়ানমারের মূল ভূখণ্ড থেকে আসা বাংলাদেশগামী পণ্যবাহী জাহাজগুলো