
মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর তালিকায় আজ বুধবার সকালে ঢাকার অবস্থান ছিল নবম। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয় ১১২।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াও বয়ে যেতে পারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করে জানিয়েছে, চলতি বছরের বাকি সময়জুড়ে এই এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। বিশ্বজুড়ে আসতে পারে চরম বিপর্যয়।

আবারও ফিরছে এল নিনো! ২০২৬-২৭ সালে কতটা উত্তপ্ত হবে পৃথিবী? বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করেছে, এ বছরের মে মাস থেকেই ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার এই ঘটনা বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ভারসাম্য ওলটপালট করে দিতে পারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা একটি সতর্কতাবার্তাও দিয়েছে। তারা বলছে, এই পূর্বাভাস সবসময় সঠিক হয় না। এপ্রিলের পর যখন আরও নিখুঁত তথ্য পাওয়া যাবে, তখন পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।

আগামীকাল শনিবার সারাদেশ উদযাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অনেকেই কর্মস্থল ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছেন। তবে ঈদযাত্রায় এমনকি ঈদের দিনও বাড়তি ভোগান্তি সৃষ্টি করতে পারে বৃষ্টি।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অফিস বলছে, এই পরিস্থিতি আরও কিছুদিন থাকতে পারে।

জাপানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। জাপান আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কারণে প্রাথমিকভাবে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ রুবায়েত কবির বিবিসি বাংলাকে বলছেন, “সম্প্রতি যে ভূমিকম্প হয়েছে তারই আফটার শক এটি। এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তার কিছু নেই।”

জাপানের ১০-মাত্রার ভূকম্পন স্কেলে এর তীব্রতা ছিল চতুর্থ-স্তরে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মাটির ৯ কিলোমিটার গভীরে ছিল। তবে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আজ সন্ধ্যার পর অনুভূত ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৩। উৎপত্তিস্থল নরসিংদী থেকে ১১ কিলোমিটার পশ্চিমে। এর উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশসহ আশপাশের এলাকায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে যা বুধবারও অব্যাহত থাকবে। সেইসাথে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো বাতাস বইছে।

ঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশসহ আশপাশের এলাকায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে যা বুধবারও অব্যাহত থাকবে। সেইসাথে ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো বাতাস বইছে।