
সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে সচিবালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আশপাশে ব্যানার নিয়ে ঘুরছেন মবিনুল ইসলাম। তিনি জানান, তার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

চণ্ডীদ্বার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার সুবেদার মো. মঈনউদ্দিন বলেন, “আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”

এইচআরএসএস-এর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব জাস্টিস এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সংবেদনশীল চিত্র ফুটে উঠেছে।

সাদ্দাম হোসেনের বড়ভাই নাজীম উদ্দীন বলেন, “আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখানে খাসিয়ারা গুলি করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। চার দিন পার হয়ে গেলেও এখনো তার মরদেহ দেশে আনতে পারিনি।”

আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশিকে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ হত্যা করেছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে কোনো বিধিনিষেধ নেই, একদিনে ট্রাভেল পাস দেওয়া সম্ভব। আর খালেদা জিয়া অসুস্থতার জন্য বিদেশে যেতে চাইলে, যা সহযোগিতা দরকার, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সেই সহযোগিতা করা হবে।