
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ সকাল পর্যন্ত শেবাচিম হাসপাতালে মোট ৩০১ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মারিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার মা ঢাকায় গিয়ে আজ সকালে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

শেবাচিম হাসপাতালে গত তিন মাসে মোট ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসেই ভর্তি হয়েছে ৮৯ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিভাগের ভোলা জেলায় হামের টিকার সংকট রয়েছে। তবে বরিশালসহ বাকি পাঁচ জেলায় টিকার পর্যাপ্ত আছে।

বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এসময় অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সময় দুই রোগী মারা গেছেন। কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম দুজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।