
প্রবাসীর টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভ এবং পরকীয়ার জেরে ঘটে যাওয়া এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রাজধানীর মুগদা এলাকার রোববার একটি বাসার বেজমেন্ট থেকে উদ্ধার করা হয় এক ব্যক্তির সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ। তখন দেহাংশের সঙ্গে মাথা পাওয়া যায়নি। পরে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জালাল উদ্দিন আরও জানান, দেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং পেট থেকে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ছিল।

র্যাব জানায়, চান মিয়া আগেও অপরাধে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে গাইবান্ধায় একটি হত্যা মামলা এবং মুগদায় একটি মাদক মামলা রয়েছে।

রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমাতে যান। সাজিদ নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ে। রাতের কোনো এক সময়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় বলে পরিবারের দাবি। দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।