
বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। স্থানীয় সময় শুক্রবার ডব্লিউএইচও জানায়, গত ২৮ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর রাজশাহীতে এক রোগীর মৃত্যু হয়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২ জন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্তের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরপর এশিয়াজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে সতর্কতামূলক স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে নিপাহ ভাইরাস আবারও জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুইজনের শরীরে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

সহজভাবে বললে, বিএমসি পাবলিক হেলথ জার্নালে প্রকাশিত এই মডেল বাস্তব ডেটা ও কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দেখায় কীভাবে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ছড়াতে পারে।

দেশগুলোকে আগামী ২৫ বছর তাদের স্বাস্থ্যের ডেটা দিতে হবে। বিশেষ করে কোনো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও জীবাণুর ক্ষেত্রে আমেরিকাকে তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে এসব দেশ। পরবর্তী মহামারি রুখতেই এই পথে হাঁটছে মার্কিন প্রশাসন–এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

গবেষকরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের এআই ডিজাইন করা ভাইরাস ব্যবহার করে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।