
ইরানে ইসরায়েল-আমেরিকার হামলা থেমে নেই। চলছে পাল্টা হামলা। এরইমধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধ তিনটি শর্ত দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। এদিকে, বিশ্ববাজারে জ্বালনি তেলের দাম ফের ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার চলমান সামরিক অভিযানে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় খরচ হচ্ছে প্রায় ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা অনেক দেশের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের চেয়েও বেশি। এই যু*দ্ধে কী হচ্ছে, কী হতে চলেছে শুনুন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. নাঈম আশফাক চৌধুরীর বিশ্লেষণে।

যুদ্ধের ১১তম দিনে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান হামলা ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধ পরিকল্পনার চেয়েও দ্রুতগতিতে লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুতিন মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত নিরসনে ‘সহায়তা করতে’ ইচ্ছুক।

যুদ্ধের ১১তম দিনে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান হামলা ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধ পরিকল্পনার চেয়েও দ্রুতগতিতে লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পুতিন মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত নিরসনে ‘সহায়তা করতে’ ইচ্ছুক। বিশ্লেষণ করেছেন অধ্যাপক বদরুল আল

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসাচ্ছে ইরান, এমন তথ্য আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার। ট্রাম্প ইরানকে নজিরবিহীন পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এরই মধ্যে মাইন ধ্বংসকারী মার্কিন যুদ্ধজাহাজ আরব সাগর পাড়ি দিচ্ছে। এর মধ্যে আইআরজিসি ‘সবচেয়ে তীব্র ও শক্তিশালী’ অভিযান শুরুর হুঁশিয়ার দিয়েছে...

যুদ্ধের ১১তম দিনে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান হামলা ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সময় সোমবার ফ্লোরিডার ডোরালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ট্রাম্প বলেন, এই যুদ্ধ পরিকল্পনার চেয়েও দ্রুতগতিতে লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে।

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার চলমান সামরিক অভিযানে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় খরচ হচ্ছে প্রায় ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা অনেক দেশের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের চেয়েও বেশি। এই যু*দ্ধে কী হচ্ছে, কী হতে চলেছে শুনুন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. নাঈম আশফাক চৌধুরীর বিশ্লেষণে।

ইরানজুড়ে আজ নবম দিনের মতো হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা ইসরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন ইরান পুরোপুরি আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত এই হামলা চলবে। এরইমধ্যে আমেরিকার অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন আজ রাতে বৃহত্তম বোমাবর্ষণ চালাবে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলার খবর সামনে আসছে, যার ফলে তৈরি হয়েছে চরম উত্তেজনা। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওপরের তিনটি নামই এখন সারা বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত নাম। প্রথম দুজনের নাম নিতে হচ্ছে একটি স্বাধীন দেশে আক্রমণের নির্দেশ দেওয়ার কারণে। তাদের কৃতকর্মের কারণেই আসছে তৃতীয় ব্যক্তির নাম। কারণ স্বাধীন দেশ ইরানে হামলা চালিয়ে প্রথম দুজন হত্যা করেছেন

পৃথিবীতে যেমন বিশুদ্ধ চাকুরি নেই, ঠিক তেমনি কেবলই ন্যায়ের পক্ষের কাউকে খুঁজে পাওয়া কঠিন। বরং যে যার ‘যুক্তি’ দাঁড় করিয়ে, চালায় সেই একবগ্গা নীতিই। এতে একসময়ের মনে হওয়া ‘ভালো’ ঢুকে যায় এমন ‘খারাপ’ দুনিয়ায়, যা এড়ানোই হয়তো ছিল উদ্দেশ্য। দিনশেষে দেখা যায়, আজকের কথিত মজলুম হয়ে উঠছে আগামীর জালিম। আর যে জাল

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অনিশ্চয়তার দিকে ফেলে দিয়েছে। এই পুরো পরিস্থিতিকে কীভাবে তুলে ধরছে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো? তারা কি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে? ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরিকল্পনা কী?

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগাম হামলার পর সংঘাত দ্রুত জটিল আকার নিয়েছে। ইরানের সস্তা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কৌশল পশ্চিমা শক্তির ব্যয় ও অস্ত্র মজুদের ওপর বড় চাপ তৈরি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এর সামরিক ও রাজনৈতিক মূল্য দুই পক্ষের জন্যই ভারী হয়ে উঠতে পারে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন এক রাজনৈতিক জুয়া খেলছেন, যা তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও নির্বাচনী রাজনীতির এই মিশ্রণ তাকে সাময়িক সুবিধা দিলেও ঝুঁকিও তৈরি করছে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এমন এক রাজনৈতিক জুয়া খেলছেন, যা তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও নির্বাচনী রাজনীতির এই মিশ্রণ তাকে সাময়িক সুবিধা দিলেও ঝুঁকিও তৈরি করছে।