
স্বল্পআয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ১৫০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ সহায়তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠীর ওপর।

চাকরি বা কর্মসংস্থান কেবল অর্থ উপার্জন বা দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নয়, এটি মানুষকে সম্মানও এনে দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছালেও এই সময়ে শ্রমবাজারে যুক্ত হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ নতুন চাকরি। তার মানে প্রায় অর্ধেক তরুণ এই সময়ে কর্মসংস্থান পায়নি

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অনেকটাই থমকে গেছে। সেইসঙ্গে ক্রমাগত অর্থপাচার দেশের আর্থিক খাতে ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে- শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক আর্থিক খাত ছাড়া কি বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে পারবে?

গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এরপর কয়েক দফায় আফটার শকও অনুভূত হয়েছে। গত ২ ডিসেম্বর ভোরে আরেকটি হালকা ভূমিকম্পও হয়েছে। এগুলো ছিল সতর্ক সংকেত, কিন্তু এর প্রতিক্রিয়ায় কি ঘটতে পারে সে বিষয়ে প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ। পিপিআরসিও বলছে, ২০২৫ সালে দেশের সার্বিক দারিদ্র্য বেড়ে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ হয়েছে। সাধারণ ভোক্তারা বলছে, বাজার এখনও নাগালের বাইরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন বিনিয়োগের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা। দেশের অর্থনীতি খারাপ।

সংস্থাটি বলছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ২০ লাখ কর্মসংস্থান কম হয়েছে। ২০২৫ সালে আরও ৮ লাখ কর্মসংস্থান কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চাকরির বাজার সংকুচিত হওয়ার সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি পড়েছে নারী ও তরুণদের ওপর।