
ইরানে বিক্ষোভে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড গতকাল বুধবার কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে ইরান সরকার জানিয়েছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দেশটিতে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে না।

ইরানে চলমান গণবিক্ষোভ দমাতে গুলি, ফাঁসি ও ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের অভিযোগে দেশটি রক্তক্ষয়ী সংকটে পড়েছে। এই সহিংসতার জেরে ইরান ইস্যু আর অভ্যন্তরীণ থাকেনি, সরাসরি মুখোমুখি অবস্থানে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা বিশ্ব রাজনীতিকে ঠেলে দিচ্ছে এক নতুন ও ভয়ংকর সংঘাতের দিকে।

এই ভিডিওতে ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ম*র*দেহ মর্গে রাখার হৃদয়বিদারক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও চলমান সংকট সম্পর্কে জানতে ভিডিওটি দেখুন।

গত বছরে নেপালে ‘জেন জি’ দের বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভ ছিল অস্বাভাবিক ও পরিকল্পিত। নেপালে এমন কিছু হতে পারে বলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার নেতারা নেপালকে সতর্ক করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠিন পদক্ষেপ’ নিতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, এরফানের পরিবারকে জানানো হয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং বুধবারই সেই সাজা কার্যকর করা হবে।

ইরানে গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইরানের একজন সরকারি কর্মকর্তা প্রথমবারের মতো এই বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির কথা স্বীকার করেন।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে সরাসরি রাজপথে নেমেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বিক্ষোভ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যেই প্রেসিডেন্টের এই অবস্থান নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ইরান সংঘাত চায় না, তবে যেকোনো যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার দেশটিতে থাকা বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এ মন্তব্য করেছেন। বিক্ষোভ দমনে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর ইরানের নেতৃত্ব আলোচনায় বসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আইসিই কর্মকর্তার গুলিতে মার্কিন নাগরিক নিহতের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি ও বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে মানুষ। নিউ ইয়র্ক থেকে মিনেসোটা-প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়ে পড়ছে দেশজুড়ে।

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। রোববার রাতে প্রেসিডেন্সিয়াল বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দেন বলে জানায় আল-জাজিরা।

এর আগে, ইরানে বিক্ষোভে ৫১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। তবে নতুন হিসাবে সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি এবং আকাশচুম্বী জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

৯ জানুয়ারি প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে তেহরানে একটি মসজিদ পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। তবে ভিডিওটি রেকর্ড করার তারিখটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

৯ জানুয়ারি প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে তেহরানে একটি মসজিদ পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। তবে ভিডিওটি রেকর্ড করার তারিখটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

হয়তো খামেনির সহযোগীরা আবারও দেশপ্রেমের আবেগকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাইছেন, যেমনটি তারা গত জুনের যুদ্ধের সময় করেছিলেন। এবার কী তা কাজে দেবে?

হয়তো খামেনির সহযোগীরা আবারও দেশপ্রেমের আবেগকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চাইছেন, যেমনটি তারা গত জুনের যুদ্ধের সময় করেছিলেন। এবার কী তা কাজে দেবে?

জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় ইরানে বিক্ষোভ বাড়ছে । এতে খুশি আমেরিকা ও ইসরায়েল। কিন্তু ইসরায়েল উত্তাল হারিদি ইহুদিদের বিক্ষোভে। অন্যদিকে রেনি গুডকে আইসিই হত্যা করায় ফুঁসে উঠেছে গোটা আমেরিকার মানুষ । শুনুন সেলিম খানের ভাষ্যে

জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় ইরানে বিক্ষোভ বাড়ছে । এতে খুশি আমেরিকা ও ইসরায়েল। কিন্তু ইসরায়েল উত্তাল হারিদি ইহুদিদের বিক্ষোভে। অন্যদিকে রেনি গুডকে আইসিই হত্যা করায় ফুঁসে উঠেছে গোটা আমেরিকার মানুষ । শুনুন সেলিম খানের ভাষ্যে