
পয়লা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন, এক মিলনমেলার উপলক্ষ। কিন্তু এই দিনটির আছে রাজনৈতিক গুরুত্ব। দিনটিকে যদি শুধু ঋতুভিত্তিক বা বর্ষবরণকেন্দ্রিক আনন্দ-উৎসবের উপলক্ষ বলে ধরে নেওয়া হয়, সেটি হবে বড় ভুল। বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা ও স্বাধিকারের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে পয়লা বৈশাখ। এটি শুরু থেকেই বাঙালির এক অবিন

প্রবাসে থেকেও বাঙালিরা তাদের সংস্কৃতি ভুলে যায় না–লন্ডনের বৈশাখী মেলা তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, এটি একটি আবেগ, একটি পরিচয়, একটি ঐতিহ্য। নতুন প্রজন্ম, পুরনো স্মৃতি, সাংস্কৃতিক চর্চা–সবকিছু মিলিয়ে এটি প্রবাসী বাঙালিদের হৃদয়ের উৎসব।

পয়লা বৈশাখ এখন শুধু দিন নয়, বাঙালির আত্মার উৎসব। নতুন প্রজন্ম দেশি পোশাক, শাড়ি, ঘুঙুর পরে আনন্দধ্বনির মধ্যে গান গায়–এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। আমেরিকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও বার্তা দেন, স্বীকৃতি দেন, এবং দেশ থেকে দূরে জন্ম নেওয়া বাঙালিরা নিজেদের সংস্কৃতিকে আবারও আবিষ্কার করে।

পহেলা বৈশাখে বাঙালির নাগরিক মন পল্লীগীতির দিকে ছুটে যায়। কিন্তু এই নাগরিক উদযাপনে সে মনে করে না তার একান্ত আপন আধুনিক গানকে। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সুবীর নন্দীকে বর্ষবরণের উদযাপনে কেন আনা হয় না? আধুনিক গানের জন্মই বা হলো কীভাবে?

জাতির মধ্যকার ঐক্য-সংহতি ক্রমাগত বৈষম্য ও বিভাজনের চূড়ান্ত সীমায়। জাতির মধ্যকার সম্প্রীতি যদি না-ই থাকে, তাহলে জাতির উৎসব পালন সর্বজনীন হবে কোন উপায়ে! জাতির মধ্যকার বৈষম্য-বিভাজন এবং ধর্মীয় আচার নির্মূল সম্ভব হলেই বাংলা নববর্ষ যেমন সর্বজনীন হবে, তেমনি হবে বাঙালি জাতির একমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব।

আপন ঐতিহ্যের শৈল্পিক ও জননন্দিত রূপায়ন যেখানে আমাদের গর্বিত করবে, সেখানে আমরা দেখি বিপরীত চিত্র। এই ঘটনাক্রম দেখিয়ে দেয় জাতি হিসাবে আমাদের বিভ্রম। এটা হয়ে ওঠে আত্মগর্ব বিসর্জনের কৌতুকপ্রদ কাহিনি।

দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং৩০ লক্ষ শহীদের আত্মদান এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। পাকিস্তানি বাহিনীর দমনপীড়ন আর নীল নকশাকে রুখে দিয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ঢাকায়। দুনিয়ার ইতিহাসে সেটি এক নির্মম ইতিহাস।

গজার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। ময়দা, ঘি ও চিনির শিরা দিয়ে তৈরি হয় এই রসালো এবং মুচমুচে মিষ্টি। নানা আকারের হয়, আকার ভেদে নামও ভিন্ন।

গজার সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। ময়দা, ঘি ও চিনির শিরা দিয়ে তৈরি হয় এই রসালো এবং মুচমুচে মিষ্টি। নানা আকারের হয়, আকার ভেদে নামও ভিন্ন।

মিহিদানা মূলত পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের সুখ্যাত মিষ্টান্ন। প্রায় শত বছর আগে এই মিষ্টি তৈরি করা হয়েছিল।

মিষ্টিমুখ ছাড়া উৎসব ঠিক উৎসব মনে হয় না। আজ আমরা কথা বলব বাঙালির কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি নিয়ে, এমন কিছু মিষ্টি যা আজকাল তেমন একটা দেখা যায় না। এই ভিডিওতে কথা হয়েছে মনসুর, মিহিদানা, গজা, গঙ্গাজলি ও বাবরশা নিয়ে।

অবাঙালি একটি মিষ্টি বাংলায় এসে হয়ে গেল ‘মনসুর’। এর শেকড় যদি খুঁজতে থাকি, দেখব এটি ভারতের কর্ণাটকে মহীশূর প্যালেসের সঙ্গে যুক্ত।
মিষ্টিমুখ ছাড়া উৎসব ঠিক উৎসব মনে হয় না। বাঙালির উৎসব মানেই তো মিষ্টি। কিন্তু কিছু মিষ্টি কি হারিয়ে যাচ্ছে? কারণ, এমন কিছু মিষ্টি আছে, যা আজকাল তেমন একটা দেখা যায় না।
মিষ্টিমুখ ছাড়া উৎসব ঠিক উৎসব মনে হয় না। বাঙালির উৎসব মানেই তো মিষ্টি। কিন্তু কিছু মিষ্টি কি হারিয়ে যাচ্ছে? কারণ, এমন কিছু মিষ্টি আছে, যা আজকাল তেমন একটা দেখা যায় না।