
এই আয়োজন নিয়ে সরকারি হস্তক্ষেপ শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, বরং ভীতিরও কারণ। তাই বৈশাখের আয়োজনও ক্রমেই হয়ে পড়ছে আনুষ্ঠানিকতা সর্বস্ব।

বিরিয়ানির ইতিহাস ঢাকায় খুব বেশি দিনের নয়। ঢাকার এক সময়কার ধনী ঘরের বাসিন্দারা পোলাও খেতেন। নানারকম পোলাও। দুটো দোহাই দেওয়া যাক। প্রথমেই হেকিম হাবিবুর রহমান, যিনি সাতচল্লিশপূর্ব ঢাকার নাগরিক জীবনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্রদের একজন।

ভোরের স্নিগ্ধ আলো যখন রমনার সবুজ প্রকৃতিতে এসে পড়ছিল, ঠিক তখনই চারপাশ মুখরিত হয়ে ওঠে যন্ত্রসংগীত আর গানের জাদুতে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে বাংলা নতুন বছরকে।

আপন ঐতিহ্যের শৈল্পিক ও জননন্দিত রূপায়ন যেখানে আমাদের গর্বিত করবে, সেখানে আমরা দেখি বিপরীত চিত্র। এই ঘটনাক্রম দেখিয়ে দেয় জাতি হিসাবে আমাদের বিভ্রম। এটা হয়ে ওঠে আত্মগর্ব বিসর্জনের কৌতুকপ্রদ কাহিনি।

তখন উপহার বলতে এখনকার মতো দামী জিনিসের চল ছিল না। ক্রেতা যখন পুরনো দেনা শোধ করে দোকানে আসত, তখন দোকানি তাকে আপ্যায়ন করত ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি দিয়ে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। উক্ত আয়োজনে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।