
‘পুরো পৃথিবী ঘুরতে শঙ্কা কাজ করে না, কিন্তু বাংলাদেশে করে’, বললেন নাজমুন নাহার, যিনি বিশ্বের ১৮৪টি দেশ ঘুরেছেন।

‘পুরো পৃথিবী ঘুরতে শঙ্কা কাজ করে না, কিন্তু বাংলাদেশে করে’, বললেন নাজমুন নাহার, যিনি বিশ্বের ১৮৪টি দেশ ঘুরেছেন।

‘পুরো পৃথিবী ঘুরতে শঙ্কা কাজ করে না, কিন্তু বাংলাদেশে করে’, বললেন নাজমুন নাহার, যিনি বিশ্বের ১৮৪টি দেশ ঘুরেছেন।

বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী
সবচেয়ে আতঙ্কিত ভবিষ্যদ্বাণীর একটি, ২০২৬ সালেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হবে। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা, রাশিয়া-আমেরিকা সংঘাত এবং ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই পূর্বাভাস নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

‘পুরো পৃথিবী ঘুরতে শঙ্কা কাজ করে না, কিন্তু বাংলাদেশে করে’, বললেন নাজমুন নাহার, যিনি বিশ্বের ১৮৪টি দেশ ঘুরেছেন।

পৃথিবীর কয়েকশ মাইল উপরে, চীনের তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন শেনঝু-২১ মিশনের সাহসী নভোচারীরা। মিশন কমান্ডার ঝাং লু এবং নভোচারী উ ফেই ও ঝাং হংঝাং ইতিমধ্যে কক্ষপথে ৭০ দিনের বেশি সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। গত এক সপ্তাহে তারা সম্পন্ন করেছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং রোমাঞ্চকর কাজ।

‘পুরো পৃথিবী ঘুরতে শঙ্কা কাজ করে না, কিন্তু বাংলাদেশে করে’, বললেন নাজমুন নাহার, যিনি বিশ্বের ১৮৪টি দেশ ঘুরেছেন। বাংলাদেশ তো বটেই মুসলিম কোনো নারীই এত দেশ ঘোরেননি। সর্বশেষ সফরে তিনি গেছেন, ভেনেজুয়েলায়। কী দেখেছেন সেখানে? অধিকাংশ দেশেই তিনি স্থলপথে গিয়েছেন।

মব মানসিকতা মানব ইতিহাসে নতুন কিছু নয়। যুগে যুগেই পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে মব দানা বাঁধতে দেখা গেছে। কখনও ডাইনি মারতে, কখনও ধর্মীয় বিষয়ে তিলকে তাল বানিয়ে কিংবা রাজনৈতিক বিক্ষোভের রূপে মব মানসিকতার বিস্তার হয়েছে।

এডিসসহ অন্যান্য কীটের উদ্ভব প্রায় চার কোটি বছর আগে। এই প্রায় চার কোটি বছর পৃথিবীতে যত প্রতিকূলতা এসেছে সেগুলোর সঙ্গে লড়াই করে আসছে কীটগুলো, জানালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমদ।

দীর্ঘ আট মাস অভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন তিন মহাকাশচারী। এদের মধ্যে দুইজন রাশিয়ান, একজন আমেরিকান। মঙ্গলবার কাজাখস্তানে অবতরণের পর আমেরিকান মহাকাশচারীকে অভ্যর্থনা জানানো হয় রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বখ্যাত এক স্যুভেনির দিয়ে।

চিলির প্যাটাগোনিয়ার আকাশে ৪ ডিসেম্বর ফুটে উঠেছিল এক মায়াবী সুপারমুন, সাধারণের তুলনায় আরও বড়, আরও উজ্জ্বল। পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থানের কারণে চাঁদের এই বিশেষ রূপ বছরে মাত্র কয়েকবারই দেখা যায়। নাসার হিসাব অনুযায়ী, এটিই ছিল বছরের শেষ সুপারমুন।

জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর কোনটি জানেন? নতুন তথ্য বলছে—শীর্ষে আছে জাকার্তা। আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে আমাদেরই ঢাকা! ঢাকা কীভাবে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃহত্তম পরিণত হল? এবং কেন বলা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ঢাকা হবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর? চলুন জেনে নেই।

আগ্নেয়গিরি হলো এমন কিছু পাহাড়, যেগুলোর ভেতরে ভূ-গর্ভস্থ ম্যাগমা নামক উত্তপ্ত পদার্থ সঞ্চিত থাকে। কোনো কোনো ফাটল বা ছিদ্রপথ দিয়ে ভূগর্ভস্থ গরম বাতাস, জলীয় বাষ্প, গলিত শিলা, কাদা, ছাই, গ্যাস প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। আর ভূগর্ভস্থ পদার্থের এমন নির্গমনকে বলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমির কম্পন। বিভিন্ন কারণে ভূ অভ্যন্তরে আলোড়ন সৃষ্টি হলে তা যখন পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা কম্পন ঘটায় সেটিই ভূমিকম্প।

ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমির কম্পন। বিভিন্ন কারণে ভূ অভ্যন্তরে আলোড়ন সৃষ্টি হলে তা যখন পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা কম্পন ঘটায় সেটিই ভূমিকম্প।

প্রদর্শনীতে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগের সেই বিশাল উল্কাপাতের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, যা পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাণীকুলকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। তৈরি করেছিল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের উত্থানের মঞ্চ এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের আবির্ভাব সম্ভব করেছিল।

প্রদর্শনীতে ৬ কোটি ৬০ লাখ বছর আগের সেই বিশাল উল্কাপাতের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, যা পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাণীকুলকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। তৈরি করেছিল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের উত্থানের মঞ্চ এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের আবির্ভাব সম্ভব করেছিল।

ছয় কোটি ৬০ লাখ বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবীর বেশিরভাগ জীবন ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে শুরু করে মানুষের বিবর্তন হয়েছিল। এখন সেই সময়ের অবস্থা দেখা যাবে আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রদর্শনীতে।

ছয় কোটি ৬০ লাখ বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবীর বেশিরভাগ জীবন ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে শুরু করে মানুষের বিবর্তন হয়েছিল। এখন সেই সময়ের অবস্থা দেখা যাবে আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রদর্শনীতে।