
তবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিযোগাযোগ, ইন্টারনেট ও ডাকসেবার মতো জরুরি সেবাগুলো ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনও চালু থাকবে।

ফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে সামরিক বাহিনীর সদস্য, বিচারক, করপোরেট কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরাও রয়েছেন। যেহেতু এই মানুষগুলোর কাছে সংবেদনশীল তথ্য থাকে, তাই প্রস্তাবিত এই লোকেশন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা তাদের নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে।

সমঝোতা স্মারক সইয়ের আগে প্রধান উপদেষ্টা এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে একান্ত বৈঠক করেন। এরপর তাদের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।