
শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই খুলনায় এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের আহ্বায়ক মোতালেব শিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। মোতালেবের ওপর গুলির নেপথ্যে কী? পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে কী পেয়েছে? চরচার বিশেষ প্রতিনিধি সামদানী হক নাজুম জানাচ্ছেন বিস্তারিত।

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনায় যুবশক্তির নেত্রী তনিমা ওরফে তন্বীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা মোতালেব শিকদারের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় মাদক-সংশ্লিষ্ট বিরোধের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া মাদক এবং গুলির খোসাকে আলামত হিসেবে ধরে নিয়ে এমন ধারণা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোতালেব শিকদার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

দিল্লি অভিযোগ করে আসছে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব এবং বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বা সেভেন সিস্টার্স নিয়ে বিদ্বেষ বাড়ছে। তাদের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ভারতের সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিন্ন করে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে চাইছে।

‘ব্যাটল অব শিরোমণি’র শুরুটা হয়েছিল ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১। ভারতীয় বাহিনীর মেজর মহেন্দ্র সিং ও মুক্তিবাহিনীর মেজর ওসমান গনির নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর একটা বড় কনভয় খুলনা শহর মুক্ত করতে রওনা দেয়। কিন্তু এই কনভয়ের শিরোমণি এলাকায় পৌঁছলে পাকিস্তান বাহিনী চতুর্দিক থেকে অ্যামবুশ করে। এতে ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর

খুলনা আদালত চত্বরে প্রকাশ্যে দুজনকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে।