
দাদা চলে গেলেন মসজিদের পথে, আমি মাঠের দিকে হাঁটতে হাঁটতে ভাবতে লাগলাম౼দাদার বয়স এখন বিরাশি বছর। এত বছর পরেও সবকিছু কী নিখুঁতভাবে মনে রেখেছেন, ভাবতেই অবাক লাগে! অথচ আমার স্কুলের পড়াই মনে থাকে না।

স্পেনের ‘টেম্পল দে ফ্লোর্স’-এ চলছে ৯ দিনের ঐতিহ্যবাহী ফুল উৎসব। প্রায় ৪ লাখ দর্শনার্থী এই উৎসবে অংশ নিতে জিরোনা শহরে এসেছে।

আন্না জার্ভিস নিজেই জীবনের শেষ দিকে এই দিনটি বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। কেন জানেন? কারণ তিনি দেখেছিলেন, মানুষ দিনটির আসল উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে কার্ড বা উপহার কেনা নিয়ে অর্থাৎ ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রসারে বেশি মেতে উঠেছে।

ভারতের কেরালায় ১ মে (২০২৬) মন্দিরের উৎসবের জন্য আনা হাতির তাণ্ডবে একজন নিহ*ত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চমাত্রার শব্দ এবং দীর্ঘক্ষণ ভিড়ের মধ্যে থাকলে হাতি পাগলামি করতে পারে। ভিডিও: রয়টার্স

শ্রম দিবসের অংশ হিসেবে মেক্সিকোর ওটুম্বায় গাধাদের পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দিতে এই বার্ষিক উৎসব পালন করা হয়।গাধার দৌড় এবং পোলো খেলার পাশাপাশি মৌমাছির সাজে গাধাদের কস্টিউম শো দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে।১৯৬৫ সাল থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যের মাধ্যমে প্রাণীদের প্রতি ভালোবাসা ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তা

উৎসবের দিনগুলোতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ‘পাঞ্চ মেশিন’-এর দেখা মেলে। মেশিনের ঝুলন্ত গোলকে সজোরে ঘুষি মেরে অনেকে হাতের জোর পরীক্ষা করছেন।

এমনিতেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে বাংলাদেশি খোঁজার প্রক্রিয়ায় মানুষকে গ্রাস করেছে অভূতপূর্ব আতঙ্ক। চারিদিকেই তৈরি হয়েছে ভয়ের মহল। সেই ভয়ের পরিবেশকেই আর কঠিন করে তুলেছে আধা সেনার অতি-সক্রিয়তা।
পুরনো বন শহরজুড়ে চেরি ফুলের ছায়ায় নৃত্যশিল্পীদের প্রাণবন্ত আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন স্থানে সালসা ও বাচাতা নাচ পরিবেশন করেন। বসন্তের সৌন্দর্য আর সুরের ছন্দ মিলিয়ে এই আয়োজন শহরটিকে রূপ দেয় এক রঙিন উৎসবে।

মুন্সীগঞ্জের নিভৃত গ্রাম থেকে রাজপথ—সবখানেই এখন কয়েকশ বছরের পুরনো ঐতিহ্য লাল কাচ যোদ্ধাদের পদচারণা। চৈত্র সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে অশুভ শক্তি বিনাশের প্রত্যয়ে শরীর রাঙিয়ে রাজপথে নেমেছেন কয়েকশ ভক্ত। সম্প্রীতি আর ঐতিহ্যের মিশেলে উদযাপিত এই উৎসবের বিস্তারিত নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

এই আয়োজন নিয়ে সরকারি হস্তক্ষেপ শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, বরং ভীতিরও কারণ। তাই বৈশাখের আয়োজনও ক্রমেই হয়ে পড়ছে আনুষ্ঠানিকতা সর্বস্ব।

পয়লা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন, এক মিলনমেলার উপলক্ষ। কিন্তু এই দিনটির আছে রাজনৈতিক গুরুত্ব। দিনটিকে যদি শুধু ঋতুভিত্তিক বা বর্ষবরণকেন্দ্রিক আনন্দ-উৎসবের উপলক্ষ বলে ধরে নেওয়া হয়, সেটি হবে বড় ভুল। বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা ও স্বাধিকারের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে পয়লা বৈশাখ। এটি শুরু থেকেই বাঙালির এক অবিন

সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নববর্ষ পালনের বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় রীতিনীতি নিয়ে এই লেখা। ইরানের নওরোজ উৎসব থেকে শুরু করে স্পেনের মধ্যরাতে ১২টি আঙুর খাওয়ার অদ্ভুত প্রথা, ব্রাজিলের সমুদ্রসৈকতে সাদা পোশাকে ঢেউ ডিঙানো এবং থাইল্যান্ডের সংক্রানে জল উৎসব—সবই উঠে এসেছে এখানে।

প্রবাসে থেকেও বাঙালিরা তাদের সংস্কৃতি ভুলে যায় না–লন্ডনের বৈশাখী মেলা তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, এটি একটি আবেগ, একটি পরিচয়, একটি ঐতিহ্য। নতুন প্রজন্ম, পুরনো স্মৃতি, সাংস্কৃতিক চর্চা–সবকিছু মিলিয়ে এটি প্রবাসী বাঙালিদের হৃদয়ের উৎসব।

পয়লা বৈশাখ এখন শুধু দিন নয়, বাঙালির আত্মার উৎসব। নতুন প্রজন্ম দেশি পোশাক, শাড়ি, ঘুঙুর পরে আনন্দধ্বনির মধ্যে গান গায়–এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। আমেরিকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও বার্তা দেন, স্বীকৃতি দেন, এবং দেশ থেকে দূরে জন্ম নেওয়া বাঙালিরা নিজেদের সংস্কৃতিকে আবারও আবিষ্কার করে।

পয়লা বৈশাখ এখন শুধু দিন নয়, বাঙালির আত্মার উৎসব। নতুন প্রজন্ম দেশি পোশাক, শাড়ি, ঘুঙুর পরে আনন্দধ্বনির মধ্যে গান গায়–এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। আমেরিকার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও বার্তা দেন, স্বীকৃতি দেন, এবং দেশ থেকে দূরে জন্ম নেওয়া বাঙালিরা নিজেদের সংস্কৃতিকে আবারও আবিষ্কার করে।