
সংগীত জগতের ধ্রুবতারা জর্জ হ্যারিসনের শেষ জীবন ছিল নাটকীয়তা এবং শারীরিক লড়াইয়ে ঘেরা। ১৯৯৯ সালে নিজ বাসভবনে এক আততায়ীর অতর্কিত হামলার শিকার হন তিনি। সে যাত্রায় শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাত নিয়ে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে ফিরলেও পরবর্তী সময়গুলো ছিল প্রচণ্ড যন্ত্রণার।

একটি টিকা বদলে দিয়েছে কোটি শিশুর ভবিষ্যৎ। ১৯৫৪ সালের পরীক্ষাই পোলিও নির্মূলের পথ খুলে দেয়। বিজ্ঞানের জয় আর জনস্বাস্থ্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক।

শব্দ ধারণের ইতিহাসে এডিসনের পেটেন্ট ছিল প্রথম ধাপ। মোমের সিলিন্ডার এনে বেল বদলে দেন প্রযুক্তির গতিপথ। এভাবেই সংগীত রেকর্ডিং হয় বাণিজ্যিকভাবে সফল।

মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ -কিউবান বিপ্লবের এই স্লোগান আজও রাজনীতিতে ফিরে ফিরে আসে।

১৯৫৭ সালের কাগমারী সম্মেলন ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের প্রথম বড় ঘোষণা। মাওলানা ভাসানীর আপসহীন বক্তব্য কেন্দ্রীয় শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নতুন ভাষা তৈরি করে। এই সম্মেলনই ভবিষ্যতের স্বাধীনতার রাজনৈতিক ভিত্তি শক্ত করে তোলে।

গণঅভ্যুত্থানের পর নারীদের কোণঠাসা করার বাস্তবতায় কল্পনা দত্ত হয়ে ওঠেন প্রাসঙ্গিক প্রতীক। ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামে এই অগ্নিকন্যা প্রমাণ করেছিলেন, নারীর সাহস প্রশ্নাতীত। আজকের বৈষম্যের ভিড়ে তার জীবন নতুন করে ভাবতে শেখায় ইতিহাস।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাপে অক্ষশক্তির ভেতরেই শুরু হয় টানাপোড়েন। লিবিয়ায় ইতালির শোচনীয় পরাজয় ক্ষুব্ধ করে তোলে হিটলারকে। দুই মিত্রের সম্পর্কে দেখা দেয় প্রথম বড় ফাটল।

বাষ্পীয় ইঞ্জিনের বহু আগেই মানবসভ্যতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন গুটেনবার্গ। তার ছাপাখানা জ্ঞানকে অভিজাত গণ্ডি ভেঙে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। শিল্প বিপ্লবের বীজ রোপণ হয়েছিল ছাপার অক্ষরের হাত ধরেই।

১৯১৪ থেকে ১৯২১–দীর্ঘ সাত বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় জেমস জয়েস গড়ে তুলেছিলেন প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার এক বিশাল সাহিত্যকীর্তি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই বিশাল কলেবরের উপন্যাসের পটভূমি জুড়ে আছে মাত্র একটি দিনের গল্প–১৯০৪ সালের ১৬ জুন।

দুর্বোধ্য হয়েও ‘ইউলিসিস’ আধুনিক সাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী উপন্যাস। মাত্র এক দিনের গল্পে জয়েস গড়ে তুলেছেন ডাবলিনের চিরন্তন প্রতিচ্ছবি। শত বছর পেরিয়েও এই উপন্যাস বিশ্বসাহিত্যে এক বিস্ময়।

মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা জহির রায়হান ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। মিরপুরে সেনা অভিযানের সময় তার নিহত হওয়ার শক্ত প্রমাণ মিললেও মরদেহ কখনো পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে জহির রায়হান আজও এক অসমাপ্ত অধ্যায়।

শুরুতে সমালোচকেরা পড়ে গেছিলেন মহাফাঁপরে। ছোট পাঠকদের মোহিত করা এই ‘ননসেন্স’ বা অর্থহীনতার রস তারা উপলব্ধি করতে পারেননি। কিন্তু ক্যারল জানতেন শিশুদের মন কত সরল হয়। আর তাই চিরাচরিত যুক্তিকে উল্টে দেওয়ার পদ্ধতিটি তাদের কাছে দারুণ আবেদন তৈরি করেছিল।

১২১ বছর আগে, ১৯০৫ সালের আজকের এই দিনে আবিষ্কৃত হয় ইতিহাসের সর্ববৃহৎ হীরা কালিনান। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিমিয়ার খনিতে পাওয়া তিন হাজার ১০৬ ক্যারেটের এই হীরা বদলে দেয় রত্নজগতের মানচিত্র। রাজনীতি, রাজকীয় কৌশল আর নিখুঁত কাটিং সব মিলিয়ে কালিনান যেন জীবন্ত এক কিংবদন্তি।

১৯০৮ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত হয় ব্যাডেন-পাওয়েলের ‘স্কাউটিং ফর বয়েজ’।

১৯০৮ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রকাশিত হয় ব্যাডেন-পাওয়েলের ‘স্কাউটিং ফর বয়েজ’।