
কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ গ্রহণ এবং জামিনে মুক্ত ব্যক্তিদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

সরকারের প্রথম সাত দিন
দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় এক হাজার ছয়টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসব মামলার বড় অংশই পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়েছিল।

তবে যেসব কর্মীর সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা নেই তাদের পুনরায় গ্রেপ্তারের প্রয়োজন নেই বলে নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।

তারেক রহমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যকার চরম রাজনৈতিক মেরুকরণ নিরসন করা। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৮ মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটে।

এসময় আইনজীবীরা আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিচারকের অপসারণ দাবি জানান।

হাসিনা সরকারের পতনের পর দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা, ধর্ম যার যার কিন্তু নিরাপত্তা সবার–এই ঘোষণা, প্রতিহিংসা পরিহারের ডাক এবং মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশ গড়ার অঙ্গীকার তার পরিপক্কতা ও বিচক্ষণতারই প্রমাণ দেয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৫ মে নগরীর অনামী–লেন এলাকায় হামলার অভিযোগে বিএনপি কর্মী সরোয়ার হোসেন ২০২৪ সালে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।

তারেক রহমানের বিএনপি অবশ্য ‘খামখেয়ালি’ অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে কিছুটা বেশি বাস্তববাদী সুর বজায় রাখছে। তবে পানি বণ্টন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শেখ হাসিনার আমলে হওয়া বিতর্কিত ব্যবসায়িক চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে তারা নতুন করে শর্ত নির্ধারণ করতে চায়।

এই নির্বাচনের আরেকটি দিক হলো জামায়াতে ইসলামীর পুনরুত্থান। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দ্বিদলীয় কাঠামোর মধ্যেই ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনে ইসলামী দল জামায়াতে ইসলামীর উত্থান নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২১২টি জিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপির এই ভূমিধস জয় কেবল সরকারের পরিবর্তন নয়।

বাংলাদেশে বামপন্থী রাজনীতির হালচাল, নির্বাচন, নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ, নতুন সরকার, বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতি ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে চরচার আলোচনা অনুষ্ঠান তীর্যক-এ ফজলুর রহমানের মুখোমুখি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন।

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এক অনন্য রেকর্ডের মালিক হলেন। তিন বছরে তিনটি সরকারের শপথ পড়ালেন তিনি। বঙ্গভবনের বাইরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় একটি নির্বাচিত সরকারকে শপথ পড়ানো প্রথম রাষ্ট্রপতিও মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের পর বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের ১৩তম সরকার দায়িত্ব নেয়। প্রায় ১৭ বছর রাষ্ট্র পরিচালনার পর আওয়ামী

রুমিন ফারহানা বলেছেন, “এবার দেশের ৩০ শতাংশ মানুষের রিপ্রেজেন্টেশন (প্রতিনিধিত্ব) থাকবে না, এটা মাথায় রেখেই আমাদের সংসদে বসতে হবে।”

রুমিন ফারহানা বলেছেন, “এবার দেশের ৩০ শতাংশ মানুষের রিপ্রেজেন্টেশন (প্রতিনিধিত্ব) থাকবে না, এটা মাথায় রেখেই আমাদের সংসদে বসতে হবে।”