
প্রায় দশ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।

১৯৯৪ সালের হতাশা পেরিয়ে বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের অভ্যাস। কিন্তু ২০২৬ সালে প্রথমবার, নিজের সিদ্ধান্তেই সেই মঞ্চে নেই বাংলাদেশ। নিরাপত্তা, রাজনীতি আর আইসিসির ভূমিকা- সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা।

১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারির এক সন্ধ্যা! কিছুক্ষণ আগে আইসিসি ট্রফির অতি গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে কেনিয়ার কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। কেনিয়ার ২৯৫ রানের পাহাড় টপকানোর অভিযানে বাংলাদেশ থেমেছে মাত্র ১৩ রানের দূরত্বে। সেই হারে শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। চুরানব্বইয়ের ফেব্রুয়ারি মাস

আইসিসি কিংবা বিসিসিআইয়ের মতো প্রভাবশালী বোর্ডগুলোর একপাক্ষিক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ক্রিকেট যে চাপের মুখে পড়েছে, সেটিকে শুধু ক্ষতির চোখে দেখলে ভুল হবে। ইতিহাস বলে, বড় পরিবর্তনের সূচনা হয় এমনই চাপের মুহূর্তে।

অভিজ্ঞ পেসার হারিস রউফকে ছাড়াই আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলংকার মাটিতে যৌথভাবে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আজ ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ার দিন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে সাকিব আল হাসানকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশ ও দেশের বাইরে বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলার জন্য সাকিবকে বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে জানানো হ

ক্রিকবাজের প্রতিবেদন
অবশেষে আশঙ্কাই সত্যি হলো। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল বাংলাদেশ। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে মূল আসরে অন্তর্ভুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না গেলে কী মাশুল গুনতে হবে? ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ। এই সিদ্ধান্ত কি আবেগপূর্ণ হচ্ছে, নাকি কৌশলগত? এর কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ ক্রিকেটে? খেলা হবে-এ নাইর ইকবালের সঙ্গে এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম

ভারতের কোনো ভেন্যুতেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, ভারতে কোনো অবস্থাতেই বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেললে পাকিস্তানও খেলবে না—এমন একটা খবর জানিয়েছিল পাকিস্তানি গণমাধ্যম জিও সুপার ও পাকিস্তান অবজারভার। এমনকি ভারতের মাটিতে খেলা না খেলা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির আলোচনায় অচলাবস্থার মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) পাকিস্তান দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি স্থগিত করার নি

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বড় ধরনের নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, বাংলাদেশ দলের ভারত খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শঙ্কার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জাতীয় দলের সব ধরনের প্রস্তুতি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে, আইসিসি এমনটা জানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ কী করবে, সিদ্ধান্তটা নিতে হবে ২১ জানুয়ারির মধ্যে। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া, না নেওয়া নিয়ে বাংলাদেশের হাতে সময় ৪৮ ঘণ্টা! বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলে আইসিসি অন্য একটি দেশকে সুযোগ দেবে।

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ রাখছে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিতই হয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারির টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ খেলতে ভারতে যেতেই হবে বাংলাদেশকে। এখন বাংলাদেশ কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেটারও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। ইএসপিএন ক্রিক-ইনফোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ২১ জানুয়ার

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ রাখছে না, এটা মোটামুটি নিশ্চিতই হয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারির টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ খেলতে ভারতে যেতেই হবে বাংলাদেশকে। এখন বাংলাদেশ কী সিদ্ধান্ত নেবে, সেটারও সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। ইএসপিএন ক্রিক-ইনফোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ২১ জানুয়ার