
ক্রিকেটে কয়েকটি বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো দিনের বেলার টেস্টেও প্রচলিত লাল বলের বদলে গোলাপি বল ব্যবহারের অনুমোদন।

ম্যাচ চলাকালে কোনো বোলারের অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হলে ‘হক-আই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন আম্পায়ার। তবে এই পদ্ধতি ঠিক কীভাবে কার্যকর হবে, সেই ব্যাপারে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

কেন বিপিএলের জনপ্রিয়তা তলানির দিকে? কেন বারবার জোড়াতালি দিয়েই আয়োজন করা হয় বিপিএল? ঘুম থেকে উঠেই কি বিপিএলে দল কেনা সম্ভব? বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত কার ছিল? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর নিয়ে চরচার মুখোমুখি বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সাবেক সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ সম্প্রতি চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন নারী ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা, সিনিয়র খেলোয়াড়দের প্রতি অসম্মানসহ কয়েকটি বিষয়ে।

১৯৯৭ সালের ৯ এপ্রিল বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত করা আর ১৩ এপ্রিল আইসিসি ট্রফি জয়; আনন্দ তাই বাঁধ ভেঙেছিল। রাস্তায় তারুণ্যের মিছিল আর রঙ খেলা সেদিন ছুঁয়ে গিয়েছিল সবাইকে। বাড়ির আপাত গম্ভীর মুরুব্বির মুখেও ছিল হাসি। তৃপ্তির হাসি। ওই রকম সময় আসলেই আর আসেনি বাংলাদেশে।

১৯৯৭ সালের দুটি তারিখকে কখনোই ভুলতে পারবে না বাংলাদেশের ক্রিকেট। একটি ৯ এপ্রিল, অন্যটি ১৩ এপ্রিল। শুধু ক্রিকেট কেন, এ দুটি তারিখ যে বাংলাদেশের গোটা একটি প্রজন্মই কখনো ভুলবে না। ৯ এপ্রিল বিশ্বকাপযাত্রা নিশ্চিত করা গিয়েছিল।

গত রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ভেঙে দেয় আমিনুলের বোর্ড কমিটি। বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের বিরুদ্ধে করা তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয় এনএসসি। সেদিনই তামিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে।

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া কোনোভাবেই মানতে পারছেন না আমিনুল। তিনি নিজেকে দাবি করছেন বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসেবে। বিসিবিতে আর কোনো নির্বাচনের আইনগত ভিত্তিই দেখছেন না আমিনুল। মঙ্গলবার রাতে নিজেকে বিসিবি সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করে দীর্ঘ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।

একের পর এক বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ করছেন। বিসিবির অস্থিরতা নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম।

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলো বাংলাদেশকে ছাড়াই। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোনো বিশ্বকাপে ছিল না বাংলাদেশ। কিন্তু বিশ্বকাপ না খেলে, কী লাভ হলো বাংলাদেশের? বিষয়টি কী শুধুই আত্মগরিমার ব্যাপার? ক্রীড়া সাংবাদিক আতিফ আজম কলকাতা গিয়েছিলেন বিশ্বকাপের দুটি ম্যাচ কাভার করতে।

টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি। ভারত ও শ্রীলঙ্কা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ তো বিশ্বকাপ থেকে নামই প্রত্যাহার করে নিয়েছে। নিরাপত্তা–ইস্যুতে ভারতের মাটিতে নিজেদের ম্যাচগুলো খেলতে চায়নি বাংলাদেশ।

প্রায় দশ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।

১৯৯৪ সালের হতাশা পেরিয়ে বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের অভ্যাস। কিন্তু ২০২৬ সালে প্রথমবার, নিজের সিদ্ধান্তেই সেই মঞ্চে নেই বাংলাদেশ। নিরাপত্তা, রাজনীতি আর আইসিসির ভূমিকা- সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা।

১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারির এক সন্ধ্যা! কিছুক্ষণ আগে আইসিসি ট্রফির অতি গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে কেনিয়ার কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। কেনিয়ার ২৯৫ রানের পাহাড় টপকানোর অভিযানে বাংলাদেশ থেমেছে মাত্র ১৩ রানের দূরত্বে। সেই হারে শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। চুরানব্বইয়ের ফেব্রুয়ারি মাস

১৯৯৪ সালের ফেব্রুয়ারির এক সন্ধ্যা! কিছুক্ষণ আগে আইসিসি ট্রফির অতি গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে কেনিয়ার কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। কেনিয়ার ২৯৫ রানের পাহাড় টপকানোর অভিযানে বাংলাদেশ থেমেছে মাত্র ১৩ রানের দূরত্বে। সেই হারে শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। চুরানব্বইয়ের ফেব্রুয়ারি মাস