চরচা ডেস্ক

আজ ২৬ মার্চ, বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। বরাবরের মতোই বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই শুরু হয় পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ ও নিপীড়ন। বাঙালির আত্মপরিচয়, তথা মাতৃভাষার ওপর প্রথম আঘাত এলে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধিকারের যে বীজ বপন করা হয়েছিল, তা ক্রমে রূপ নেয় স্বাধীনতার সংগ্রামে। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করলেও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এর প্রতিবাদে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে শুরু হয় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। মুক্তিকামী বাঙালিকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করে।
এরপর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বাঙালির এই মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ হয়। বর্বরোচিত নিপীড়নের শিকার হয় ২ লাখ নারী। পাকিস্তানি বাহিনীর দমনপীড়ন আর নীল নকশাকে রুখে দিয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বলেন, “স্বাধীনতা, জাতি হিসেবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আজকের এই দিনে সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে পেয়েছি স্বাধীনতা। বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও সর্বস্তরের জনগণকে-যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছেন।”
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা, বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।”

আজ ২৬ মার্চ, বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। বরাবরের মতোই বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই শুরু হয় পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ ও নিপীড়ন। বাঙালির আত্মপরিচয়, তথা মাতৃভাষার ওপর প্রথম আঘাত এলে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধিকারের যে বীজ বপন করা হয়েছিল, তা ক্রমে রূপ নেয় স্বাধীনতার সংগ্রামে। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করলেও তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। এর প্রতিবাদে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে শুরু হয় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। মুক্তিকামী বাঙালিকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরোচিত গণহত্যা শুরু করে।
এরপর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। বাঙালির এই মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ হয়। বর্বরোচিত নিপীড়নের শিকার হয় ২ লাখ নারী। পাকিস্তানি বাহিনীর দমনপীড়ন আর নীল নকশাকে রুখে দিয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য।
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি বলেন, “স্বাধীনতা, জাতি হিসেবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আজকের এই দিনে সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে পেয়েছি স্বাধীনতা। বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও সর্বস্তরের জনগণকে-যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছেন।”
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা, বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।”