চরচা প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীর গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি একেএম শহিদুর রহমান। আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এব সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
মহাপরিচালক জানান, গত ১২ ডিসেম্বর হাদি হত্যার পরপরই র্যাব গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে। ১২ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ব্যবহৃত দুটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
ফয়সাল এবং আলমগীর দেশের বাইরে পালিয়েছে–এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত ও ম্যানুয়াল সোর্স ব্যবহার করে আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অবস্থান নিশ্চিত হলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। আসামিরা দেশের বাইরে পালিয়ে থাকলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত করা গেলে দেশে ফিরিয়ে আনার একাধিক আইনি ও কূটনৈতিক পথ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার অগ্রগতিও তুলে ধরে র্যাব জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর ধর্ম নিয়ে উত্তেজনার জেরে দিপু চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। খুলনা আদালত প্রাঙ্গণে জোড়া খুনের ঘটনায় ছায়া তদন্ত চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।
তিনি আরও বলেন, যশোরের বাঘারপাড়ায় ১৪টি ককটেলসহ একজন নাশকতাকারী গ্রেপ্তার, কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ককটেল ও রাসায়নিক উদ্ধার এবং মূল আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অস্ত্র উদ্ধার ও আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে র্যাব নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীর গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি একেএম শহিদুর রহমান। আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এব সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
মহাপরিচালক জানান, গত ১২ ডিসেম্বর হাদি হত্যার পরপরই র্যাব গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে। ১২ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ব্যবহৃত দুটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
ফয়সাল এবং আলমগীর দেশের বাইরে পালিয়েছে–এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত ও ম্যানুয়াল সোর্স ব্যবহার করে আসামিদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে। অবস্থান নিশ্চিত হলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। আসামিরা দেশের বাইরে পালিয়ে থাকলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত করা গেলে দেশে ফিরিয়ে আনার একাধিক আইনি ও কূটনৈতিক পথ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার অগ্রগতিও তুলে ধরে র্যাব জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর ধর্ম নিয়ে উত্তেজনার জেরে দিপু চন্দ্র দাস হত্যার ঘটনায় ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। খুলনা আদালত প্রাঙ্গণে জোড়া খুনের ঘটনায় ছায়া তদন্ত চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।
তিনি আরও বলেন, যশোরের বাঘারপাড়ায় ১৪টি ককটেলসহ একজন নাশকতাকারী গ্রেপ্তার, কেরানীগঞ্জে মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ককটেল ও রাসায়নিক উদ্ধার এবং মূল আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অস্ত্র উদ্ধার ও আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে র্যাব নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।