চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগরীতে কোনো ধরনের ‘মব কালচার’ বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি চলবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ। আজ বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।
কমিশনার বলেন, থানায় সেবা নিতে গিয়ে কোনো নাগরিক হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন প্রয়োগের নামে নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগ বা গায়ে হাত তোলার সুযোগ কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।
থানাগুলোকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত ও জনবান্ধব করার ঘোষণা দিয়ে ডিএমপি প্রধান বলেন, গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৪ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, তালিকা ধরে কিশোর গ্যাং দমনে অভিযান চলছে, তবে এই সামাজিক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি।
রাজধানীর ট্রাফিক সংকট ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে এআই ক্যামেরা চালু করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে আরও বাড়ানো হবে। ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, সাইবার অপরাধ ও মাদকের মতো বড় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে একটি নিরাপদ ও সেবামূলক মহানগরী গড়তে তিনি জনগণ ও গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

ঢাকা মহানগরীতে কোনো ধরনের ‘মব কালচার’ বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সংস্কৃতি চলবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ। আজ বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব বলেন।
কমিশনার বলেন, থানায় সেবা নিতে গিয়ে কোনো নাগরিক হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন প্রয়োগের নামে নাগরিকদের ওপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগ বা গায়ে হাত তোলার সুযোগ কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।
থানাগুলোকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত ও জনবান্ধব করার ঘোষণা দিয়ে ডিএমপি প্রধান বলেন, গত ১ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২৪ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, তালিকা ধরে কিশোর গ্যাং দমনে অভিযান চলছে, তবে এই সামাজিক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণে পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধ জরুরি।
রাজধানীর ট্রাফিক সংকট ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে এআই ক্যামেরা চালু করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে আরও বাড়ানো হবে। ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন, সাইবার অপরাধ ও মাদকের মতো বড় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে একটি নিরাপদ ও সেবামূলক মহানগরী গড়তে তিনি জনগণ ও গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।