চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে চুরির অভিযোগে এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে লাঞ্ছিতের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার গ্রেপ্তারদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীকে শারীরিক হেনস্তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, শীতের সকালে প্রচন্ড ঠান্ডায় এক নারীকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে শরীরে ঠান্ডা পানি ঢালা হচ্ছে।
গুলশান থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার চুরির অভিযোগ তুলে ওই নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়।
এ ঘটনাটি পুলিশের নজরে এলে শনিবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। ওই নারীকে নির্যাতনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ গুলশান থানা নিয়ে আসে। তবে ওই নারীকে এখনও খুঁজে পায়নি পুলিশ। পরে পুলিশ বাদি হয়ে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে আটকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে রাতে তাদের আদালতে পাঠায়।
পুলিশের গুলশান বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (বাড্ডা জোন) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন ও আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার দিন শুক্রবার সকাল ফজরের নামাজের পর মারকাযুত তা'লীম আল- ইসলামী মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ঘুমাতে যান। এসময় এক নারী ওই মাদ্রাসার তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় উঠে হ্যাঙারে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পাঞ্জাবির পকেটে হাত দেন। এ ঘটনা মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থী দেখতে পেয়ে চিৎকার দিয়ে উঠেন। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক একরাম ও লোকমানসহ শিক্ষার্থীরা ওই নারীকে আটক করেন। তারা ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তিনি ভিন্ন বক্তব্য দেন। ওই নারী একবার বলেন, তার বাচ্চাকে ভর্তি করাতে এসেছে, আবার বলেছে মাদ্রাসা পরিদর্শন করতে এসেছে। আরেকবার বলেছে, তার বাচ্চা এখানে পড়ে।”
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “ওই নারীর একেক ধরনের বক্তব্য দেওয়ার পরে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাকে প্রথমে পুলিশে সোপর্দ করতে চেয়েছিলেন। পরে তারা ভেবেছে প্রাথমিক ‘শাস্তি’ দিয়ে ছেড়ে দেবে। তাদের সেই সিদ্ধান্তের কারণে ওই নারীকে বেঁধে পানি ঢেলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তারাই ওই নারীকে উত্তরাগামী একটি বাসে তুলে দেন।”
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “ওই দিন সকালে সাড়ে ছয়টা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। দল বেঁধে ওই নারীর ‘শাস্তি’ দেওয়ার ঘটনায় তাদের কেউ ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা এ ধরনের ঘটনা দেখার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি।”
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মারকাযুত তা'লীম আল- ইসলামী মাদ্রাসার দুই হুজুর লোকমান ও একরাম এবং তিন শিক্ষার্থী রয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে চুরির অভিযোগে এক নারীকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে লাঞ্ছিতের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার গ্রেপ্তারদের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীকে শারীরিক হেনস্তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, শীতের সকালে প্রচন্ড ঠান্ডায় এক নারীকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে শরীরে ঠান্ডা পানি ঢালা হচ্ছে।
গুলশান থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে গুলশানের নদ্দা এলাকার মোড়ল বাজারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার চুরির অভিযোগ তুলে ওই নারীকে খুঁটিতে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতন করা হয়।
এ ঘটনাটি পুলিশের নজরে এলে শনিবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। ওই নারীকে নির্যাতনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ গুলশান থানা নিয়ে আসে। তবে ওই নারীকে এখনও খুঁজে পায়নি পুলিশ। পরে পুলিশ বাদি হয়ে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগে আটকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে রাতে তাদের আদালতে পাঠায়।
পুলিশের গুলশান বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (বাড্ডা জোন) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন ও আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার দিন শুক্রবার সকাল ফজরের নামাজের পর মারকাযুত তা'লীম আল- ইসলামী মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ঘুমাতে যান। এসময় এক নারী ওই মাদ্রাসার তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় উঠে হ্যাঙারে ঝুলে থাকা শিক্ষকদের পাঞ্জাবির পকেটে হাত দেন। এ ঘটনা মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থী দেখতে পেয়ে চিৎকার দিয়ে উঠেন। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক একরাম ও লোকমানসহ শিক্ষার্থীরা ওই নারীকে আটক করেন। তারা ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তিনি ভিন্ন বক্তব্য দেন। ওই নারী একবার বলেন, তার বাচ্চাকে ভর্তি করাতে এসেছে, আবার বলেছে মাদ্রাসা পরিদর্শন করতে এসেছে। আরেকবার বলেছে, তার বাচ্চা এখানে পড়ে।”
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “ওই নারীর একেক ধরনের বক্তব্য দেওয়ার পরে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাকে প্রথমে পুলিশে সোপর্দ করতে চেয়েছিলেন। পরে তারা ভেবেছে প্রাথমিক ‘শাস্তি’ দিয়ে ছেড়ে দেবে। তাদের সেই সিদ্ধান্তের কারণে ওই নারীকে বেঁধে পানি ঢেলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তারাই ওই নারীকে উত্তরাগামী একটি বাসে তুলে দেন।”
আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “ওই দিন সকালে সাড়ে ছয়টা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। দল বেঁধে ওই নারীর ‘শাস্তি’ দেওয়ার ঘটনায় তাদের কেউ ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা এ ধরনের ঘটনা দেখার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি।”
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মারকাযুত তা'লীম আল- ইসলামী মাদ্রাসার দুই হুজুর লোকমান ও একরাম এবং তিন শিক্ষার্থী রয়েছে।