চরচা প্রতিবেদক

জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিজিত অধিকারী তির্থার দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩০ দিনের সাজা ভোগ করতে হবে।
রায়ের আদেশে বলা হয়েছে, দুদক আইনের ২৬(২) ধারার অধীনে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। একই আইনের ২৭(১) ধারা অনুযায়ী আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া, জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি এতদ্বারা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেন। তবে উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে জানিয়েছেন, আসামি মামলার সূচনা থেকেই পলাতক রয়েছেন। রায় শেষে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারিসহ সাজা পরোয়ানা দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধ উল্লেখ করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ এই মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিজিত অধিকারী তির্থার দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩০ দিনের সাজা ভোগ করতে হবে।
রায়ের আদেশে বলা হয়েছে, দুদক আইনের ২৬(২) ধারার অধীনে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। একই আইনের ২৭(১) ধারা অনুযায়ী আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া, জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি এতদ্বারা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেন। তবে উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে জানিয়েছেন, আসামি মামলার সূচনা থেকেই পলাতক রয়েছেন। রায় শেষে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারিসহ সাজা পরোয়ানা দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধ উল্লেখ করা হয়।
তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ এই মামলায় অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।