চরচা ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তীব্র রাজনৈতিক চাপ ও জনপ্রিয়তা হ্রাসের মুখে স্থানীয় সময় আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ ও ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লেবার পার্টির নতুন নেতা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন গ্রহণ শুরু হবে ৯ জুলাই থেকে। নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে বহাল থাকবেন স্টারমার।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে আগে লেবার পার্টিকে নতুন নেতা নির্বাচন করতে হবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর মাসে পার্লামেন্টের শরৎকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা করছেন।
স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বের হয়ে জনসম্মুখে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে স্টারমার বলেন, “আমি প্রতিটি সিদ্ধান্ত আমার প্রিয় দেশকে সর্বাগ্রে রাখার জন্যই নিয়েছি। তাই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”
গত কয়েক মাস ধরেই স্টারমারের প্রধানমন্ত্রীত্ব হুমকির মুখে ছিল। তবে গত শুক্রবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি আসনে জয় পাওয়ায় এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।
২০২৪ সালে কেয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে ভূমিধস জয় পায় লেবার পার্টি। কিন্তু দুই বছর না যেতেই তার জনপ্রিয়তা কমে গেছে। ভোটাররা মনে করছেন তাদের জীবনমান উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি স্টারমার দিয়েছিলেন সেটি পূরণ করতে পারবেন না তিনি।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তীব্র রাজনৈতিক চাপ ও জনপ্রিয়তা হ্রাসের মুখে স্থানীয় সময় আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ ও ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লেবার পার্টির নতুন নেতা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন গ্রহণ শুরু হবে ৯ জুলাই থেকে। নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে বহাল থাকবেন স্টারমার।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে আগে লেবার পার্টিকে নতুন নেতা নির্বাচন করতে হবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর মাসে পার্লামেন্টের শরৎকালীন অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই নতুন দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে তিনি আশা করছেন।
স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বের হয়ে জনসম্মুখে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে স্টারমার বলেন, “আমি প্রতিটি সিদ্ধান্ত আমার প্রিয় দেশকে সর্বাগ্রে রাখার জন্যই নিয়েছি। তাই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”
গত কয়েক মাস ধরেই স্টারমারের প্রধানমন্ত্রীত্ব হুমকির মুখে ছিল। তবে গত শুক্রবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি আসনে জয় পাওয়ায় এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।
২০২৪ সালে কেয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে ভূমিধস জয় পায় লেবার পার্টি। কিন্তু দুই বছর না যেতেই তার জনপ্রিয়তা কমে গেছে। ভোটাররা মনে করছেন তাদের জীবনমান উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি স্টারমার দিয়েছিলেন সেটি পূরণ করতে পারবেন না তিনি।

বিষয়টি নিয়ে জাপানি কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্বের অন্যান্য উন্নত জি-৭ অর্থনীতির দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ফি ১৮৫ থেকে ৩১৫ ডলার এবং যুক্তরাজ্যে ৬ মাসের স্ট্যান্ডার্ড শর্ট-টার্ম ভিসার জন্য ১৩৫ পাউন্ড খরচ করতে হয়।