চরচা ডেস্ক

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সাময়িক উৎপাদন হ্রাসের পর পুনরায় পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত কয়েকদিন ধরে টেকনিক্যাল কারণে উৎপাদন কিছুটা কমানো হয়েছিল।
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী (পরিচালন ও সংরক্ষণ) মুহাম্মদ সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে ছুটির দিন বিশেষ করে শুক্রবার কেন্দ্রে ছোটখাটো কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন সাময়িকভাবে কমানো হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক উৎপাদন কমানো ছিল টেকনিক্যাল কার্যক্রমের অংশ।
মুহাম্মদ সাইফুর রহমান আরও জানান, গতকাল রাত থেকে পিক আওয়ারে কেন্দ্রটির উৎপাদন পূর্ণমাত্রায় চালু করা হয়েছে। এখন দুটি ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
সাইফুর রহমান বলেন, “কেন্দ্রটি বর্তমানে ফুল লোডে উৎপাদনে রয়েছে। টেকনিক্যাল কোনো সমস্যা না থাকলে এই সপ্তাহজুড়ে উৎপাদন স্বাভাবিক থাকবে।”
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে নির্মিত কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। জাপানের সহায়তায় গড়ে ওঠা কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২০০ মেগাওয়াট। এখানে দুটি ইউনিটের প্রতিটির সক্ষমতা প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট।

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সাময়িক উৎপাদন হ্রাসের পর পুনরায় পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত কয়েকদিন ধরে টেকনিক্যাল কারণে উৎপাদন কিছুটা কমানো হয়েছিল।
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী (পরিচালন ও সংরক্ষণ) মুহাম্মদ সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে ছুটির দিন বিশেষ করে শুক্রবার কেন্দ্রে ছোটখাটো কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন সাময়িকভাবে কমানো হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক উৎপাদন কমানো ছিল টেকনিক্যাল কার্যক্রমের অংশ।
মুহাম্মদ সাইফুর রহমান আরও জানান, গতকাল রাত থেকে পিক আওয়ারে কেন্দ্রটির উৎপাদন পূর্ণমাত্রায় চালু করা হয়েছে। এখন দুটি ইউনিট থেকে ১ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
সাইফুর রহমান বলেন, “কেন্দ্রটি বর্তমানে ফুল লোডে উৎপাদনে রয়েছে। টেকনিক্যাল কোনো সমস্যা না থাকলে এই সপ্তাহজুড়ে উৎপাদন স্বাভাবিক থাকবে।”
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে নির্মিত কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। জাপানের সহায়তায় গড়ে ওঠা কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১২০০ মেগাওয়াট। এখানে দুটি ইউনিটের প্রতিটির সক্ষমতা প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট।