চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতির জন্য ১৫ ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠান এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছর স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা, জনপ্রশাসন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর)।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদার হাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে (মরণোত্তর) পদক দেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) পুরস্কার পাচ্ছেন।
ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান লিনু, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সম্মাননা পাচ্ছে।
সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)।
এছাড়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া সম্মাননা পাচ্ছেন।
পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারপ্রধান এই পদক আনুষ্ঠানিকভাবে দেন।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতির জন্য ১৫ ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠান এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছর স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা, জনপ্রশাসন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর)।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদার হাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে (মরণোত্তর) পদক দেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং সংস্কৃতিতে হানিফ সংকেত ও বশির আহমেদ (মরণোত্তর) পুরস্কার পাচ্ছেন।
ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান লিনু, পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সম্মাননা পাচ্ছে।
সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)।
এছাড়া গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম এবং অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া সম্মাননা পাচ্ছেন।
পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারপ্রধান এই পদক আনুষ্ঠানিকভাবে দেন।