চরচা ডেস্ক

সম্প্রতি আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছে তারা ৭৫টি দেশের অভিবাসীকে ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করতে যাচ্ছে। এই ৭৫ দেশকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তকমা দিয়েছেন তৃতীয় বিশ্বের দেশ বা দরিদ্র দেশ।
এর আগেও তিনি সোমালিয়ার নাগরিকদেরকে বলেছেন ‘নোংরা-আবর্জনা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। বলা বাহুল্য, এই মানসিকতার মূলে রয়েছে তীব্র বর্ণবাদী ও শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী মনোভাব। কিন্তু আজ থেকে বেশ কিছু বছর আগে তাকালে আমরা দেখতে পাবো আজকের ট্রাম্পের আমেরিকাতেই এক আফ্রিকান-আমেরিকান মানুষ বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, সফলও হয়েছিলেন আবার নোবেলও পেয়েছিলেন।
আর তিনি জন্মেছিলেন আজ থেকে প্রায় ৯৭ বছর আগে আজকের দিনে।
এই কিংবদন্তীর নাম মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
সবচেয়ে কম বয়সী নোবেল বিজয়ী হিসেবে আমরা এখন জানি পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাইয়ের কথা। কিন্তু মালালার আগ পর্যন্ত কিন্তু এই তকমা দখল করে রেখেছিলেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
তার বিখ্যাত উক্তি ‘I have a dream’।
জর্জিয়ার আটলান্টায় মার্টিন লুথার কিং সিনিয়র নামে ব্যাপটিস্ট যাজক ও ধর্মপ্রচারকের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। তিনি ধর্মতত্ত্বে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৫৫ সালে আফ্রিকান আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রথম বড় প্রতিবাদ 'মন্টগোমারি বাস বয়কট' আন্দোলন সংগঠিত করতে সহায়তা করেন। মোহনদাস গান্ধীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দক্ষিণ আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আইন অমান্য এবং অহিংস প্রতিরোধের নীতি প্রচার করেন। আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে তার নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনের ওপর সহিংসতা চালানো হলেও তিনি অহিংসায় বিশ্বাসী ছিলেন।
জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস, এতে কর্মসংস্থান ও শিক্ষাক্ষেত্রে বর্ণবৈষম্য নিষিদ্ধ করে এবং সরকারি স্থাপনাগুলোতে বর্ণপ্রথা বা পৃথকীকরণকে বেআইনি ঘোষণা করা হয়।
আর এজন্যই নোবেল পান তিনি।
কিন্তু অহিংসায় বিশ্বাসী কিং মাত্র ৩৯ বছর বয়সে উগ্রপন্থী যুবক জেমস আর্ল রে নামক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

সম্প্রতি আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছে তারা ৭৫টি দেশের অভিবাসীকে ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করতে যাচ্ছে। এই ৭৫ দেশকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তকমা দিয়েছেন তৃতীয় বিশ্বের দেশ বা দরিদ্র দেশ।
এর আগেও তিনি সোমালিয়ার নাগরিকদেরকে বলেছেন ‘নোংরা-আবর্জনা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। বলা বাহুল্য, এই মানসিকতার মূলে রয়েছে তীব্র বর্ণবাদী ও শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী মনোভাব। কিন্তু আজ থেকে বেশ কিছু বছর আগে তাকালে আমরা দেখতে পাবো আজকের ট্রাম্পের আমেরিকাতেই এক আফ্রিকান-আমেরিকান মানুষ বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, সফলও হয়েছিলেন আবার নোবেলও পেয়েছিলেন।
আর তিনি জন্মেছিলেন আজ থেকে প্রায় ৯৭ বছর আগে আজকের দিনে।
এই কিংবদন্তীর নাম মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
সবচেয়ে কম বয়সী নোবেল বিজয়ী হিসেবে আমরা এখন জানি পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাইয়ের কথা। কিন্তু মালালার আগ পর্যন্ত কিন্তু এই তকমা দখল করে রেখেছিলেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।
তার বিখ্যাত উক্তি ‘I have a dream’।
জর্জিয়ার আটলান্টায় মার্টিন লুথার কিং সিনিয়র নামে ব্যাপটিস্ট যাজক ও ধর্মপ্রচারকের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। তিনি ধর্মতত্ত্বে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৫৫ সালে আফ্রিকান আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের প্রথম বড় প্রতিবাদ 'মন্টগোমারি বাস বয়কট' আন্দোলন সংগঠিত করতে সহায়তা করেন। মোহনদাস গান্ধীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দক্ষিণ আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে আইন অমান্য এবং অহিংস প্রতিরোধের নীতি প্রচার করেন। আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে তার নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনের ওপর সহিংসতা চালানো হলেও তিনি অহিংসায় বিশ্বাসী ছিলেন।
জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস, এতে কর্মসংস্থান ও শিক্ষাক্ষেত্রে বর্ণবৈষম্য নিষিদ্ধ করে এবং সরকারি স্থাপনাগুলোতে বর্ণপ্রথা বা পৃথকীকরণকে বেআইনি ঘোষণা করা হয়।
আর এজন্যই নোবেল পান তিনি।
কিন্তু অহিংসায় বিশ্বাসী কিং মাত্র ৩৯ বছর বয়সে উগ্রপন্থী যুবক জেমস আর্ল রে নামক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।