চরচা ডেস্ক

খুব বেশি বছর আগের কথা নয়, যখন তিন ফরম্যাটের মধ্যে ওয়ানডেতেই সেরা ক্রিকেট খেলত বাংলাদেশ। তবে সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন ৫০ ওভারের ক্রিকেটেও নিজেদের হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এ বছর অবশ্য কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তানকে হারানোর পর ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল। প্রতিপক্ষ খর্বশক্তির হলেও টানা দুটি ওয়ানডে সিরিজ জয় এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে ভীষণ অর্থবহ।
চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে মূলত জিতিয়েছেন বোলাররা। চোট কাটিয়ে একাদশে ফিরেই পাঁচ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে ৩০০ রানের আশা জাগিয়েও আগেই থেমেছিল বাংলাদেশের ইনিংস। তবে বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসে বড় জয় নিশ্চিত হয়েছে, সিরিজও (২-১)।
নিউজিল্যান্ড দলে মূল তারকাদের কেউ নেই বলে সিরিজ শুরুর আগেই অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন, হেসেখেলেই সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। তবে মিরপুরে ‘দ্বিতীয় সারির’ নিউজিল্যান্ড দল প্রথম ম্যাচেই চমক দেখায়। ভীষণ ধীরগতির উইকেটে জয় পায় ২৬ রানে। সেই ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় ম্যাচে নাহিদ রানার ফাইফারে সিরিজে সমতা টানে বাংলাদেশ।
নাহিদ সেই ফর্ম টেনে আনেন সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও। ২৬৬ রানের টার্গেটে নামা নিউজিল্যান্ডকে বড় ধাক্কাটা দেন প্রথম স্পেলেই। যথারীতি গতিতেই পরাস্ত করেন উইল ইয়ংকে (১৯)। তার আগেই আরেক ওপেনার হেনরি নিকোলসকে ফেরান মুস্তাফিজুর। বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে বল তুলে দেন আকাশে, সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস।
নিউজিল্যান্ডের এই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ টম লাথাম গোটা সিরিজেই ভুগেছেন রানখরায়। সেই ধারায় কিউই অধিনায়ক মিরাজকে সুইপ করতে গিয়ে আউট হন ৫ রানে। একপ্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন নিক কেলি। ফিফটি করলেও পারেননি ইনিংস লম্বা করতে।
ফিরতি স্পেলে এসেই কেলির (৫৯ রান) উইকেটটি নেন মুস্তাফিজুর। এতটাই স্লো কাটার দেন যে, ব্যাটসম্যানকে বলের নাগাল পেতে বেশ নিচু হতে হয়। তাতে বল ব্যাটে লাগলেও সোজা চলে যায় এক্সট্রা কভারে থাকা তানজিদ হাসানের হাতে।
সিরিজ জুড়ে দুর্দান্ত বোলিং করা শরীফুল ইসলাম তার প্রথম শিকার বানান মোহাম্মদ আব্বাসকে (২৫ রান) সাজঘরের পথ দেখিয়ে। ম্যাচের রোমাঞ্চ সেখানেই শেষ। নাহিদ এরপর ঘণ্টায় ১৪৯ কি.মি. বেগে করা ডেলিভারিতে উপড়ে ফেলেন জশ ক্লার্কসনের লেগ স্টাম্প।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ইতি টানার পথে পরপর তিনটি উইকেট নিয়ে ফাইফার পূরণ করেন মুস্তাফিজুর। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এই নিয়ে ছয়বার পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনি। এরপর বাংলাদেশের জয় ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তবে ডিন ফক্সক্রফট দমে যেতে চাননি লড়াই ছাড়া। শেষ উইকেটে বিশাল সব ছক্কার মারে কমিয়ে আনেন বল ও রানের ব্যবধান। তুলে নেন ফিফটিও। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৭ ছক্কায় করেন ৭২ বলে ৭৫ রান।
৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে অলআউট হয়ে ৫০ রানে হার বরণ করে নিউজিল্যান্ড।

খুব বেশি বছর আগের কথা নয়, যখন তিন ফরম্যাটের মধ্যে ওয়ানডেতেই সেরা ক্রিকেট খেলত বাংলাদেশ। তবে সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে যেন ৫০ ওভারের ক্রিকেটেও নিজেদের হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এ বছর অবশ্য কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তানকে হারানোর পর ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল। প্রতিপক্ষ খর্বশক্তির হলেও টানা দুটি ওয়ানডে সিরিজ জয় এই ফরম্যাটে বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে ভীষণ অর্থবহ।
চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে মূলত জিতিয়েছেন বোলাররা। চোট কাটিয়ে একাদশে ফিরেই পাঁচ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। ব্যাটিং-সহায়ক উইকেটে ৩০০ রানের আশা জাগিয়েও আগেই থেমেছিল বাংলাদেশের ইনিংস। তবে বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসে বড় জয় নিশ্চিত হয়েছে, সিরিজও (২-১)।
নিউজিল্যান্ড দলে মূল তারকাদের কেউ নেই বলে সিরিজ শুরুর আগেই অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন, হেসেখেলেই সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। তবে মিরপুরে ‘দ্বিতীয় সারির’ নিউজিল্যান্ড দল প্রথম ম্যাচেই চমক দেখায়। ভীষণ ধীরগতির উইকেটে জয় পায় ২৬ রানে। সেই ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় ম্যাচে নাহিদ রানার ফাইফারে সিরিজে সমতা টানে বাংলাদেশ।
নাহিদ সেই ফর্ম টেনে আনেন সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও। ২৬৬ রানের টার্গেটে নামা নিউজিল্যান্ডকে বড় ধাক্কাটা দেন প্রথম স্পেলেই। যথারীতি গতিতেই পরাস্ত করেন উইল ইয়ংকে (১৯)। তার আগেই আরেক ওপেনার হেনরি নিকোলসকে ফেরান মুস্তাফিজুর। বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে বল তুলে দেন আকাশে, সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস।
নিউজিল্যান্ডের এই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ টম লাথাম গোটা সিরিজেই ভুগেছেন রানখরায়। সেই ধারায় কিউই অধিনায়ক মিরাজকে সুইপ করতে গিয়ে আউট হন ৫ রানে। একপ্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন নিক কেলি। ফিফটি করলেও পারেননি ইনিংস লম্বা করতে।
ফিরতি স্পেলে এসেই কেলির (৫৯ রান) উইকেটটি নেন মুস্তাফিজুর। এতটাই স্লো কাটার দেন যে, ব্যাটসম্যানকে বলের নাগাল পেতে বেশ নিচু হতে হয়। তাতে বল ব্যাটে লাগলেও সোজা চলে যায় এক্সট্রা কভারে থাকা তানজিদ হাসানের হাতে।
সিরিজ জুড়ে দুর্দান্ত বোলিং করা শরীফুল ইসলাম তার প্রথম শিকার বানান মোহাম্মদ আব্বাসকে (২৫ রান) সাজঘরের পথ দেখিয়ে। ম্যাচের রোমাঞ্চ সেখানেই শেষ। নাহিদ এরপর ঘণ্টায় ১৪৯ কি.মি. বেগে করা ডেলিভারিতে উপড়ে ফেলেন জশ ক্লার্কসনের লেগ স্টাম্প।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ইতি টানার পথে পরপর তিনটি উইকেট নিয়ে ফাইফার পূরণ করেন মুস্তাফিজুর। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এই নিয়ে ছয়বার পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন তিনি। এরপর বাংলাদেশের জয় ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র।
তবে ডিন ফক্সক্রফট দমে যেতে চাননি লড়াই ছাড়া। শেষ উইকেটে বিশাল সব ছক্কার মারে কমিয়ে আনেন বল ও রানের ব্যবধান। তুলে নেন ফিফটিও। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৭ ছক্কায় করেন ৭২ বলে ৭৫ রান।
৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে অলআউট হয়ে ৫০ রানে হার বরণ করে নিউজিল্যান্ড।