চরচা প্রতিবেদক

এক রিকশাচালককে পিটিয়ে শপিং মলে বেঁধে রাখা হয়েছে, এমন গুজবে রাজধানীর উত্তরায় গভীর রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ রিকশা ও অটোরিকশা চালকেরা একটি বাণিজ্যিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত উত্তরা-১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার শপিংমল নামে একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে মার্কেটের এক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে গুজব ছড়িয়ে পড়ে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে।
এই খবর দ্রুত আশপাশের রিকশা ও অটোরিকশা চালকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা মার্কেটের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের কয়েকদফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা কয়েক দফা ঘটে। এতে পুলিশসহ ৫০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উত্তরার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
একপর্যায়ে নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষুব্ধদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।
কয়েকদফা চেষ্টার পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ভোর ৬টার দিকে পর্যন্ত এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলের আশপাশে এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। পুলিশের পাশাপাশি কয়েক শতাধিক বিক্ষোভকারী এখনও সড়কে অবস্থান করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার ওয়াহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, একজন নিখোঁজ (রিকশাচালক) থাকার কথা বলা হলেও তার নাম-ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি। কেউ নিহত হয়েছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত হতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে।
ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ভবনের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু পায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. রাকিব আহমেদ বলেন, ‘‘রিকশাচালকের সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে তাকে শপিং মলে বেঁধে রাখা হয়েছে! এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায়। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে হত্যার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।’’

এক রিকশাচালককে পিটিয়ে শপিং মলে বেঁধে রাখা হয়েছে, এমন গুজবে রাজধানীর উত্তরায় গভীর রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ রিকশা ও অটোরিকশা চালকেরা একটি বাণিজ্যিক ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত উত্তরা-১৩ নম্বর সেক্টরের উত্তরা স্কয়ার শপিংমল নামে একটি বাণিজ্যিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে মার্কেটের এক নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে গুজব ছড়িয়ে পড়ে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে।
এই খবর দ্রুত আশপাশের রিকশা ও অটোরিকশা চালকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা মার্কেটের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের কয়েকদফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা কয়েক দফা ঘটে। এতে পুলিশসহ ৫০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উত্তরার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
একপর্যায়ে নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে পুরো এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষুব্ধদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।
কয়েকদফা চেষ্টার পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ভোর ৬টার দিকে পর্যন্ত এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলের আশপাশে এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল। পুলিশের পাশাপাশি কয়েক শতাধিক বিক্ষোভকারী এখনও সড়কে অবস্থান করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার ওয়াহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, একজন নিখোঁজ (রিকশাচালক) থাকার কথা বলা হলেও তার নাম-ঠিকানা এখনও পাওয়া যায়নি। কেউ নিহত হয়েছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত হতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে।
ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ভবনের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু পায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. রাকিব আহমেদ বলেন, ‘‘রিকশাচালকের সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে তাকে শপিং মলে বেঁধে রাখা হয়েছে! এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায়। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে হত্যার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।’’