চরচা প্রতিবেদক

দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ করে শেয়ার বাজারে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
আজ বুধবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ধার্য ছিল। তবে এদিন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তা জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো.সাব্বির ফয়েজ প্রতিবেদন দাখিলের দিন আগামী ২৭ জুলাই ধার্য করেছেন।
আদালতে দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ করে শেয়ার বাজারে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। পরে ১৬ জুন আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু),তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভির নিজাম।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, মামলার আসিমার একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিজেদের বিও অ্যাকাউন্টে অবৈধ ও কৃত্রিম লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ ও প্রতারিত করত। এতে সাধারণ মানুষ বড় আর্থিক ক্ষতির শিকার হয় এবং চক্রটি অপরাধলব্ধ ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করে।
এর মধ্যে মো. আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রীর সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকা মানি লন্ডারিং করেন এবং তার ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া যায়। হিরুর কারসাজিকৃত তিনটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে সাকিব আল হাসানও এই মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে জড়ান এবং প্রতারণার মাধ্যমে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা অপরাধলব্ধ আয় হিসেবে আত্মসাৎ করেন।

দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ করে শেয়ার বাজারে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
আজ বুধবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য ধার্য ছিল। তবে এদিন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তা জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো.সাব্বির ফয়েজ প্রতিবেদন দাখিলের দিন আগামী ২৭ জুলাই ধার্য করেছেন।
আদালতে দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ করে শেয়ার বাজারে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ১৭ মে দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। পরে ১৬ জুন আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু),তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভির নিজাম।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, মামলার আসিমার একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিজেদের বিও অ্যাকাউন্টে অবৈধ ও কৃত্রিম লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শেয়ারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ ও প্রতারিত করত। এতে সাধারণ মানুষ বড় আর্থিক ক্ষতির শিকার হয় এবং চক্রটি অপরাধলব্ধ ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করে।
এর মধ্যে মো. আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রীর সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকা মানি লন্ডারিং করেন এবং তার ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া যায়। হিরুর কারসাজিকৃত তিনটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে সাকিব আল হাসানও এই মার্কেট ম্যানিপুলেশনে সক্রিয়ভাবে জড়ান এবং প্রতারণার মাধ্যমে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা অপরাধলব্ধ আয় হিসেবে আত্মসাৎ করেন।