শিশির মনিরের ফেসবুক স্ট্যাটাস
চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি, বাতিল করা হয়েছে হাসপাতালটির প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স—এমন দাবি করেছেন হাসপাতালটির আইনজীবী শিশির মনির।
আজ শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে তিনি হাসপাতালটির লাইসেন্স, প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স ও সরকারের আদেশের কপিও সংযুক্ত করেন।
পোস্টের শুরুতে শিশির মনির লিখেছেন, ‘‘হাসপাতালের লাইসেন্স [HSM 4310058] বাতিল করেনি কর্তৃপক্ষ। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স [HSM 4310059]’’
শিশির মনির পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স। এটা কি অবহেলা না কি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। যদি অবহেলা হয়ে থাকে তাহলে কেমন ধরনের অবহেলা? আপনারাই বিবেচনা করবেন।’’
হাসপাতাল ও প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স যুক্ত করে শিশির মনির লিখেছেন, ‘‘দুটো লাইসেন্স আছে। একটি আদ-দ্বীন হাসপাতালের জন্য। লাইসেন্সে লেখা আছে ‘to set up and run a hospital/clinic’। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058; অপরপক্ষে আরেকটি লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ ইস্যু করেছেন। সেখানে লিখা আছে ‘to set up and run a pathology Center’, এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310059’’
কারণ দর্শানোর নোটিশের বরাত দিয়ে শিশির মনির লিখেছেন, ‘‘কর্তৃপক্ষ ৪ জুন ২০২৬ তারিখ কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করে। উক্ত নোটিশে লাইসেন্স নম্বর HSM 4310059 উল্লেখ করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলেন। জবার দাখিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়। তারপর জবাব দায়ের করা হয়।’’
পোস্টে তিনি লেখেন, অতঃপর গতকাল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার আইনি সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি লিখেছেন, ‘‘এখন আপনারাই বিচার করেন কি হল? কোনটা বাতিল হল? hospital/Clinic নাকি pathology Center? কর্তৃপক্ষই ভাল বলতে পারবেন।’’
পোস্টের শেষে তিনি লিখেছেন, ‘‘অবহেলা না কি ইচ্ছাকৃত? অবহেলা [Negligence] হলে কেমন ধরনের অবহেলা? বিচারের ভার আপনাদের উপর রইল।’’
সম্প্রতি মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
পরে গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মগবাজারের আদ–দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের খবর জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি আপিল করতে পারবে।

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়নি, বাতিল করা হয়েছে হাসপাতালটির প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স—এমন দাবি করেছেন হাসপাতালটির আইনজীবী শিশির মনির।
আজ শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে তিনি হাসপাতালটির লাইসেন্স, প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স ও সরকারের আদেশের কপিও সংযুক্ত করেন।
পোস্টের শুরুতে শিশির মনির লিখেছেন, ‘‘হাসপাতালের লাইসেন্স [HSM 4310058] বাতিল করেনি কর্তৃপক্ষ। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স [HSM 4310059]’’
শিশির মনির পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স। এটা কি অবহেলা না কি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। যদি অবহেলা হয়ে থাকে তাহলে কেমন ধরনের অবহেলা? আপনারাই বিবেচনা করবেন।’’
হাসপাতাল ও প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স যুক্ত করে শিশির মনির লিখেছেন, ‘‘দুটো লাইসেন্স আছে। একটি আদ-দ্বীন হাসপাতালের জন্য। লাইসেন্সে লেখা আছে ‘to set up and run a hospital/clinic’। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058; অপরপক্ষে আরেকটি লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ ইস্যু করেছেন। সেখানে লিখা আছে ‘to set up and run a pathology Center’, এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310059’’
কারণ দর্শানোর নোটিশের বরাত দিয়ে শিশির মনির লিখেছেন, ‘‘কর্তৃপক্ষ ৪ জুন ২০২৬ তারিখ কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করে। উক্ত নোটিশে লাইসেন্স নম্বর HSM 4310059 উল্লেখ করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলেন। জবার দাখিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়। তারপর জবাব দায়ের করা হয়।’’
পোস্টে তিনি লেখেন, অতঃপর গতকাল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার আইনি সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি লিখেছেন, ‘‘এখন আপনারাই বিচার করেন কি হল? কোনটা বাতিল হল? hospital/Clinic নাকি pathology Center? কর্তৃপক্ষই ভাল বলতে পারবেন।’’
পোস্টের শেষে তিনি লিখেছেন, ‘‘অবহেলা না কি ইচ্ছাকৃত? অবহেলা [Negligence] হলে কেমন ধরনের অবহেলা? বিচারের ভার আপনাদের উপর রইল।’’
সম্প্রতি মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। গত ৪ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
পরে গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মগবাজারের আদ–দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের খবর জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাসপাতালটি আপিল করতে পারবে।