চরচা ডেস্ক

আজ বিশ্ব মা দিবস। এই ছোট শব্দের ভেতরেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা। সন্তানের জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেওয়া মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতেই প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মা দিবস। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস।
‘মা’ এমন একজন, যাকে ভালোবাসা জানানোর জন্য আলাদা দিনের প্রয়োজন পড়ে না। তবুও বিশ্বের বহু দেশে মা দিবস পালনের রীতি গড়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এই দিনটি পালন করা হয়। আন্না জার্ভিস নামে এক নারী প্রথম এই দিনটির সূচনা করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, পরিবারে মায়েদের যে অবদান, তার একটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকুক।
পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রাফটনে তার মায়ের গির্জায় প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি পালিত হয়। আন্নার মা, অ্যান জার্ভিস, নারীদের নিয়ে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করতেন। মায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আন্না জার্ভিস পরিবারে মায়েদের অবদানের স্বীকৃতির জন্য একটি রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন ঘোষণার দাবি জানান। তার এই মহৎ উদ্যোগ সফল হয় এবং ১৯১৪ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিনটিকে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হয়ে আসছে।
মজার বিষয় হলো, আন্না জার্ভিস নিজেই জীবনের শেষ দিকে এই দিনটি বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। কেন জানেন? কারণ তিনি দেখেছিলেন, মানুষ দিনটির আসল উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে কার্ড বা উপহার কেনা নিয়ে অর্থাৎ ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রসারে বেশি মেতে উঠেছে।
এই দিনের একটি অফিশিয়াল ফুলও আছে। কার্নেশন। প্রথম যখন ১৯০৮ সালে গির্জায় এই দিবসটি পালিত হয়, তখন থেকেই এই ফুলের চল শুরু।

আজ বিশ্ব মা দিবস। এই ছোট শব্দের ভেতরেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা। সন্তানের জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেওয়া মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতেই প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মা দিবস। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস।
‘মা’ এমন একজন, যাকে ভালোবাসা জানানোর জন্য আলাদা দিনের প্রয়োজন পড়ে না। তবুও বিশ্বের বহু দেশে মা দিবস পালনের রীতি গড়ে উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এই দিনটি পালন করা হয়। আন্না জার্ভিস নামে এক নারী প্রথম এই দিনটির সূচনা করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, পরিবারে মায়েদের যে অবদান, তার একটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকুক।
পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রাফটনে তার মায়ের গির্জায় প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি পালিত হয়। আন্নার মা, অ্যান জার্ভিস, নারীদের নিয়ে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করতেন। মায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আন্না জার্ভিস পরিবারে মায়েদের অবদানের স্বীকৃতির জন্য একটি রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন ঘোষণার দাবি জানান। তার এই মহৎ উদ্যোগ সফল হয় এবং ১৯১৪ সালে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিনটিকে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হয়ে আসছে।
মজার বিষয় হলো, আন্না জার্ভিস নিজেই জীবনের শেষ দিকে এই দিনটি বন্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন। কেন জানেন? কারণ তিনি দেখেছিলেন, মানুষ দিনটির আসল উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে কার্ড বা উপহার কেনা নিয়ে অর্থাৎ ব্যবসা বা বাণিজ্যিক প্রসারে বেশি মেতে উঠেছে।
এই দিনের একটি অফিশিয়াল ফুলও আছে। কার্নেশন। প্রথম যখন ১৯০৮ সালে গির্জায় এই দিবসটি পালিত হয়, তখন থেকেই এই ফুলের চল শুরু।